সাধারণতন্ত্র দিবসে বাংলার ট্যাবলোয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্য়ায়। সঙ্গে দেখা গিয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। ট্যাবলোয় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস, বিবেকানন্দ, বিনয়-বাদল-দীনেশ, মাতঙ্গিনী হাজরার মতো বিপ্লবীদেরও তুলে ধরা হয়। বাংলাকে স্বাধীন করতে কত রক্ত দিয়েছে বাঙালি, তা তুলে ধরা হয়েছে ট্যাবলোয়। বলে রাখা ভালো, কর্তব্যপথে বাংলার ট্যাবলো নিয়ে এবারও জটিলতা কম হয়নি। হাজার টানাপোড়েনের পর ১৭টি রাজ্যের মধ্যে বাংলার ট্যাবলো সগৌরবে অংশ নেয় এবারের কুচকাওয়াজে।
আর মাত্র কয়েকমাস পর বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে সংসদে দাঁড়িয়ে মোদির বঙ্কিমচন্দ্রকে 'বঙ্কিমদা' সম্বোধন নিয়ে গর্জে ওঠে গোটা বাংলা। বারবার গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে বাংলার মনীষী, স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অপমানের অভিযোগ উঠেছে। যদিও সে অভিযোগ নস্যাৎ করতে তৎপর পদ্ম শিবির। এই পরিস্থিতিতে কর্তব্য পথে বাংলার ট্যাবলো যে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
রাজধানীর রাজপথে এবার বঙ্কিমকে নিয়ে মোট ৩০টি ট্যাবলো ছিল। বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে কেন্দ্রেরও বিশেষ ট্যাবলো ছিল। কর্তব্য পথে আয়োজিত হয় বিশেষ নৃত্য অনুষ্ঠান। ট্যাবলোর সারিতে প্রথমেই ছিল গুজরাট। যেখানে দেখা গেল মহাত্মা গান্ধী ও ভিকাজি কামাকে। তুলে ধরা হল স্বাধীনতা দিবসে গুজরাটের ভূমিকা।
কর্তব্য পথে গুজরাটের ট্যাবলো।
ছত্তিশগড়ের ট্যাবলোয় তুলে ধরা হয়েছে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে আদিবাসী যোদ্ধাদের ভূমিকা। আদিবাসী ঐতিহ্য, সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং তাঁদের ঐতিহাসিক অবদান।
কর্তব্য পথে ছত্তিশগড়ের ট্যাবলো।
‘আত্মনির্ভর ভারত’কে সঙ্গী করে তামিলনাড়ুর ট্যাবলোতে তুলে ধরা হল, রাজ্যের প্রাচীন সাংস্কৃতি এবং আধুনিকতার মেলবন্ধন। এছাড়া কেরল, মহারাষ্ট্র, নাগাল্যান্ড, জম্মু-কাশ্মীরের ট্যাবলোয় দেখা যায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, এবারই প্রথমবার বলিউডের ট্যাবলো দেখা যায় কর্তব্য পথে।
