মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ কাকা শরদ পওয়ার। প্রথম প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানালেন, এটি নিছকই দুর্ঘটনা। এর মধ্যে কোনও ষড়যন্ত্র নেই।
বুধবার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে বারামতি বিমানবন্দরে অবতরণের সময় ভেঙে পড়ে অজিতের বিমান। বিমানটিতে অজিত-সহ পাঁচ জন ছিলেন। তাঁদের মধ্যে দু’জন ছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষী এবং দু’জন ছিলেন বিমানকর্মী। অসামরিক বিমান পরিবহণ নিয়ামক সংস্থা ডিজিসিএ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় পাঁচ জনেরই মৃত্যু হয়েছে। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে এয়ারক্র্যাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি)।
অজিতের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ শারদ বলেন, "এটি সম্পূর্ণরূপে একটি দুর্ঘটনা। এতে কোনও ষড়যন্ত্র নেই। অজিতের মৃত্যু মহারাষ্ট্রের জন্য বিরাট ক্ষতি। একজন দক্ষ নেতা আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। মহারাষ্ট্র আজ একজন মহান ব্যক্তিত্বকে হারাল। এই ক্ষতি কখনই পূরণ করা যাবে না।" তিনি আরও বলেন, "সবকিছু আমাদের হাতে থাকে না। আমি আজ অসহায়। কিছু ঘটনার নেপথ্যে কোনও রাজনীতি থাকে না। আমি স্পষ্টভাবে এই অবস্থানেই রয়েছি। এই ঘটনার মধ্যে কোনও ষড়যন্ত্র নেই। এটি সম্পূর্ণরূপে একটি দুর্ঘটনা। আমাদের সকলকে চিরকাল এই যন্ত্রণা বহন করে যেতে হবে। দয়া করে এর মধ্যে রাজনীতি আনবেন না।"
প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, যে মাঝারি মাপের চার্টার্ড বিমানে করে মুম্বই থেকে বারামতী যাচ্ছিলেন এনসিপি প্রধান অজিত, সেটি ছিল লিয়ারজেট ৪৫ মডেলের ‘ভিটি-এসএসকে’ বিমান। বম্বার্ডিয়ার এরোস্পেস সংস্থার তৈরি এই বিমানটি বুধবার সকালে বারামতিতে ভেঙে পড়ে। এক্স হ্যান্ডলে ‘ফ্লাইটরেডার২৪’ জানিয়েছে, বারামতি এয়ারপোর্টে অবতরণের সময় প্রথমবার ব্যর্থ হন পাইলট। দ্বিতীয়বার অবতরণের সময় ভেঙে পড়ে বিমানটি। সেই সময়েই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
