Advertisement

ত্রিপুরায় ভোররাতে হোটেল ছাড়তে বাধ্য হলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, ‘তালিবানি শাসন চলছে’, তোপ TMC নেতার

02:45 PM Aug 19, 2021 |
Advertisement
Advertisement

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: এবার ত্রিপুরায় চরম হেনস্তার শিকার তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)। একাধিক হোটেলে তাঁকে থাকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। শেষমেশ একটি হোটেলে বুধবার রাতটুকু থাকলেও বৃহস্পতিবার ভোরেই সেখান থেকে তাঁকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় বিপ্লব দেব সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল নেতা। কার্যত তালিবানি কায়দায় ত্রিপুরায় তৃণমূল নেতাদের উপর অত্যচার করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। 

Advertisement

একুশের বিধানসভায় জয়লাভের পর তৃণমূলের লক্ষ্য ত্রিপুরা। পড়শি রাজ্যে গিয়ে একাধিকবার আক্রান্ত হলেও পিছু হঠতে নারাজ ‘দিদির সৈনিক’রা। বিনা লড়াইয়ে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তেও রাজি নন তাঁরা। তাই বারবার আক্রান্ত হয়েও ত্রিপুরায় যাচ্ছেন শাসকদলের নেতা-কর্মীরা। বুধবার বিপ্লব দেবের রাজ্যে গিয়েছিলেন তৃৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, পরপর তিনটি হোটেলে গেলেও কোথাও ঘর দেওয়া হয়নি তাঁকে। 

চলতি মাসের শুরুতে ত্রিপুরায় আক্রান্ত তৃণমূল নেতারা।

[আরও পড়ুন:Coronavirus: ৫ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন অ্যাকটিভ কেস, তবে চিন্তা দেশের দৈনিক আক্রান্ত ও মৃত্যু নিয়ে ]

শেষে বহু কষ্টে একটি হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করেন তৃণমূল নেতা। রাতে সেখানেই ছিলেন তিনি। কিন্তু বৃহস্পতিবার ভোরে তাঁকে হোটেল ছাড়তে বলে কর্তৃপক্ষ। কোনও উপায় না পেয়ে হোটেল ছেড়ে প্রাক্তন বিধায়ক সুবল ভৌমিকের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। ঋতব্রত জানিয়েছেন, হোটেল কর্তৃপক্ষ তাঁর সঙ্গে কোনও প্রকার দুর্ব্যবহার করেনি। তাঁরা জানিয়েছে, চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। সেই কারণেই তৃণমূল নেতাকে হোটেল ছাড়ার অনুরোধ করা হয়।  

তৃণমূল নেতা জানিয়েছেন, রাতে যে হোটেলে ছিলেন বুধবার গোটা রাত তাণ্ডব চালানো হয়েছে তার বাইরে। বুধবার ত্রিপুরার বিজেপি বিধায়ক অরুণ ভৌমিক (BJP MLA Arun Bhowmik)। বলেছিলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata Banerjee) উস্কানিতে বিপ্লব দেবের সরকারের উপর আঘাত হানার চেষ্টা চলছে। আমি আপনাদের কাছে আবেদন করব তালিবানি কায়দায় এদের আক্রমণ করতে হবে।বিমানবন্দরে নামামাত্রই আক্রমণ করতে হবে এঁদের।” তাঁর পালটা দিয়ে ঋতব্রত বলেন, “ত্রিপুরার বিজেপি বিধায়ক তালিবানি কায়দার কথা বলছেন, তাতে ধরে নিতে হচ্ছে, তাঁদের কাছে তালিবানদের মতো অস্ত্রসস্ত্র রয়েছে। তাহলে সেটা তদন্তের বিষয়। বিজেপি বিধায়ক যদি এই কথা বলেন তবে কেন্দ্রীয় সরকারও তালিবানি শাসনকে সমর্থন করছে বলে ধরে নিতে হচ্ছে।” উল্লেখ্য, হামলা-হেনস্তায় দমতে রাজি নন ঋতব্রত। বৃহস্পতিবার ত্রিপুরায় একটি যোগদান অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি।

[আরও পড়ুন: ‘CBI-কে খাঁচায় বন্দি তোতাপাখি করে রাখবেন না’, কেন্দ্রকে কটাক্ষ Madras High Court-এর

Advertisement
Next