২০২৬ সালের বাজেট ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বাজেটকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিলেও বিরোধিতায় সরব বিরোধী শিবির। মোদি সরকারের এই বাজেটকে 'অন্ধ বাজেট' বলে কটাক্ষ করলেন কংগ্রেস সাংসদ তথা বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর দাবি, 'যুব সমাজের রোজগার নেই, কৃষকদের হাল বেহাল। দেশের মূল সমস্যার বিষয়ে এরা অজ্ঞাত।'
বাজেট ঘোষণার পর রবিবার সোশাল মিডিয়ায় এই বাজেটের বিরোধিতায় সরব হন রাহুল। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, 'দেশের যুবসমাজের রোজগার নেই, ম্যানুফেকচারিং লাগাতার নিচের দিকে নামছে, বিনিয়োগকারীরা টাকা তুলে নিচ্ছেন, মানুষের ক্রয় ক্ষমতা লাগাতার কমছে। দেশের কৃষকদের অবস্থাও বেহাল। ভবিষ্যতের সংকটগুলিকে এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। এমন একটা সময়ে সরকার যে বাজেট পেশ করেছে তাতে স্পষ্ট যে মোদি সরকার চায় না এইসব সমস্যা শোধরাতে। দেশের মূল সমস্যাগুলি সম্পর্কে এই সরকার অজ্ঞাত।'
রাহুল গান্ধীর পাশাপাশি মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। তিনি বলেন, 'নতুন কিছু ভাবার মতো শক্তি নেই মোদি সরকারের। যে বাজেট পেশ করা হল তা দেশের আর্থিক, সামাজিক, রাজনৈতিক সমস্যাগুলির সমাধানে ব্যর্থ। বাজেটের কোনও দূরদৃষ্টি সম্পন্ন পরিকল্পনা নেই। নীতিগত দৃষ্টিভঙ্গি এবং রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তির অভাব রয়েছে বাজেটে। নীতিগত ত্রুটি ঢাকার মতোও কোনও উদ্যোগ দেখা যায়নি বাজেটে।'
তোপ দাগতে ছাড়েননি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রবিবার বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে বাজেটের সমালোচনা করে মমতা বলেন, ”এই বাজেট দিশাহীন, মহিলা, কৃষক ও দরিদ্র-বিরোধী, জনবিরোধী বাজেট। বাংলাকে কিছুই দেয়নি। ডানকুনির পণ্য করিডর নতুন নয়, ২০০৯ সালের রেল বাজেটে আমিই ঘোষণা করেছিলাম।” তৃণমূল নেত্রীর আরও সমালোচনা, ”সম্পূর্ণ মিথ্যের স্তূপ। টকিং বিগ বিগ, ডুয়িং নাথিং, হাম্পটি-ডাম্পটি বাজেট।”
