দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া দাওয়াই যোগীর। ব্যক্তিগত সম্পত্তির হিসাব না দেওয়ায় ৬৮ হাজার ২৩৬ জন সরকারি কর্মীর বেতন আটকে দিল উত্তরপ্রদেশ সরকার। ৩১ জানুয়ারির মধ্যে রাজ্যের মানবসম্পদ পোর্টালে সরকারি কর্মীদের সম্পত্তির (স্থাবর এবং অস্থাবর) হিসাব আপলোড করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। যদিও নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও অনেকেই তা করেননি। এর পরেই সরকারি কর্মীদের বেতন প্রদান সাময়িক ভাবে স্থগিত করেছে রাজ্য সরকার।
মুখ্যসচির এসপি গয়াল এক নির্দেশিকা জারি করে আগেই জানিয়েছিলেন,৩১ জানুয়ারির মধ্যে রাজ্যের সব সরকারি কর্মীকে সম্পত্তির তথ্য আপলোড করতে হবে। যত দিন না সম্পত্তির তথ্য দেবেন কর্মীরা, তত দিন বেতন বন্ধ রাখা হবে। এর পরেও ৬৮ হাজার ২৩৬ জন সরকারি কর্মী মানবসম্পদ পোর্টালে তাঁদের সম্পত্তির তথ্য দেননি। ফলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে সাময়িক ভাবে তাঁদের বেতন আটকে দেওয়া হল।
উত্তরপ্রদেশের সরকারের তথ্য আনুযায়ী, তৃতীয় শ্রেণির ৩৪ হাজার ৯২৬ জন কর্মী, চতুর্থ শ্রেণির ২২ হাজার ৬২৪ জন, দ্বিতীয় শ্রেণির ৭ হাজার ২০৪ জন এবং প্রথম শ্রেণির ২ হাজার ৬২৮ জন কর্মী। জানা গিয়েছে, রাজস্ব, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সমাজকল্যাণ-সহ বেশ কয়েকটি বিভাগের কর্মীরা তাঁদের সম্পত্তির তথ্য দেননি। ইতিমধ্যে প্রশাসন জানিয়ে দিয়েছে, তথ্য না দিয়ে পার পাওয়া যাবে না। শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।
যাঁরা সরকারি ওয়েবসাইটে তথ্য আপলোড করবেন না, তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হবে। এমনকী শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। উল্লেখ্য, সরকারি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। গোটা ভারত এই মারণ রোগের শিকার। বলাই বাহুল্য, সেক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত নজিরবিহীন।
