প্লাস্টিকের খেলনা বন্দুক ও খেলনা গ্রেনেড ভেবে অভিযুক্তকে ক্লিনচিট দিয়েছিল পুলিশ। পরে এটিএসের তদন্তে তাঁরই জঙ্গি-যোগের তথ্য প্রকাশ্যে এল। এই ঘটনায় উত্তরপ্রদেশের বিজনৌর জেলায় পুলিশের বিরুদ্ধে বড় ধরনের গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে।
ওই অভিযুক্তের নাম আকিব। গত বছরের নভেম্বর মাসে তাঁর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে আকিবকে একটি গ্রেনেড ও একে-৪৭ রাইফেল হাতে দেখা যায়। সেই সময় বিজনৌর পুলিশ দাবি করে, ভিডিওতে থাকা অস্ত্রগুলি প্লাস্টিকের খেলনা। আকিব নিজেই ভিডিও কলে পুলিশের কাছে সেই দাবি করেছেন।
সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশ অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড(এটিএস)-এর তদন্তে নতুন তথ্য সামনে আসে। পাকিস্তানভিত্তিক আইএসআই হ্যান্ডলারের নির্দেশে একটি রেলওয়ে সিগন্যাল বক্স উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করার অভিযোগে ২ এপ্রিল লখনউ থেকে সাকিব-সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে এটিএস। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, আকিবের মাধ্যমে ওই আইএসআই হ্যান্ডলারের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ হয়েছিল। বর্তমানে আকিব দুবাইতে চলে গিয়ে থাকতে পারেন বলে অনুমান তদন্তকারীদের। পাশাপাশি ভিডিওটিতে থাকা একে-৪৭ ও গ্রেনেডটিও আসল ছিল বলে দাবি করেছেন তদন্তকারীরা।
এই নতুন তথ্য সামনে আসার পরই বিজনৌর পুলিশের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তৎকালীন নাঙ্গালসোটি থানার স্টেশন হাউস অফিসার ইন্সপেক্টর সচিন সিং মালিককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি সার্কেল অফিসার নীতেশ প্রতাপ সিংয়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এটিএসের রিপোর্ট পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিজনৌরের পুলিশ সুপার। গোটা ঘটনায় তদন্ত চলছে।
