বিয়ের আগে থেকেই ছিল এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক! পরিবারের সদস্যরাও মেয়ের সম্পর্কের বিষয়টি জেনে ফেলেছিলেন। প্রেমিক সম্পর্কে যুবতীরই এক আত্মীয়, কাকার শ্যালক। বিষয়টা প্রকাশ্যে আসতেই তড়িঘড়ি তাঁর বিয়ের ব্যবস্থা করে পরিবার। বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয় এক যুবকের সঙ্গে। এ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল! কিন্তু বিয়ের পর শুরু হল আসল সমস্যা। যুবতী দাবি করে বসলেন, তাঁকে প্রেমিকের কাছেই থাকতে দিতে হবে। এরপর শুরু হয় নতুন বিপত্তি।
চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের ফিরোজাবাদের ঘটনা। এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বিয়ের আগে থেকেই আত্মীয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক থাকায় জোর করে তাঁকে বিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে শ্বশুরবাড়ির সদস্য ও স্বামীকে বোঝান ওই মহিলা। তিনি তাঁর স্বামীকে পরিষ্কার জানিয়ে দেন যে, তিনি তাঁর প্রেমিকের সঙ্গেই থাকতে চান। তিনি বারবার বলতে থাকেন, তাঁর স্বামী মোটেই যোগ্য নন।
খুরদা কোটলা রোড এলাকার বাসিন্দাকে বিয়ে করেছিলেন ওই যুবতী। তিনি এরপর থেকেই অশান্তি শুরু হয় পরিবারে। এরই মধ্যে সুযোগ বুঝে মৈনপুরীতে নিজের প্রেমিকের কাছে পালিয়ে যান ওই যুবতী। সেখানেই শেষ নয়!
যুবতীর স্বামীর অভিযোগ, তাঁর প্রেমিক এখন ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের মাধ্যমে স্বামীর কাছে ওই যুবতীর আপত্তিকর ছবি পাঠাচ্ছে। শুধু তাই নয়, সঙ্গমের গোপন ভিডিও পাঠাতেন বলে অভিযোগ। এখানেই শেষ নয়, অভিযুক্ত নিজেকে মৈনপুরীর 'গুন্ডা' বলে পরিচয় দিয়ে স্বামীকে হুমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ। এই ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত প্রেমিক ও পালানোয় সহায়তাকারী এক দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। নিছক মজা নাকি, এর পিছনে অন্য কোনও বিষয় আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কয়েকদিন আগে গোরক্ষপুরেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে চার সন্তানের মা এক মহিলা ইনস্টাগ্রামে পরিচয় হওয়া এক ২৮ বছর বয়সী যুবকের সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। প্রায় ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর জানা যায়, তিনি প্রেমিকের সঙ্গে ভাড়া বাড়িতে থাকছেন। তাঁর স্বামী, সন্তান এবং পরিবারের অন্যান্যরা সেখানে বাড়ি ফেরার জন্য অনুরোধ জানালেও ফেরেননি ওই মহিলা।
