সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের (I-PAC Chief Pratik Jain) বাড়ি ও অফিসে ইডি তল্লাশিকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে বেশ কিছু ফাইল নিয়ে বেরতে দেখা যায় তাঁকে। ঠিক কী ঘটেছিল তল্লাশির সময়? ঘটনাস্থলে গিয়ে কোন আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী? এসংক্রান্ত একাধিক প্রশ্নের জবাব চাইল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। জানা গিয়েছে, এদিন দুপুর ১২ টার মধ্যে ইডির তরফে রিপোর্ট পেশ করা হবে অর্থমন্ত্রকে। তারপর সেই রিপোর্ট অর্থমন্ত্রক পাঠাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে।
বৃহস্পতিবার সকালে আচমকাই আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে হানা দেন ইডির আধিকারিকরা। খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিনিট পনেরো প্রতীকের বাড়িতে ছিলেন তিনি। তারপর একটি সবুজ রঙের ফাইল হাতে বের হন মমতা। তিনি অভিযোগ করেন, ইডির অভিযান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তৃণমূলের নির্বাচনী রণকৌশল চুরি করতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই খবর মেলে সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসেও হানা দিয়েছে ইডি। এরপর মমতা সোজা যান সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের দপ্তরে। কিছু নথি, মোবাইল এবং ল্যাপটপ নিজের গাড়িতে তোলেন মমতা।
এরপরই ইডি দাবি করে সাংবিধানিক ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করেই তল্লাশি অভিযানে বাধা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। জোর করে নথি, ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ ছিনতাই করেছেন তিনি। কিন্তু ঠিক কী ঘটেছিল বৃহস্পতিবার তল্লাশির সময়? প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রী ইডির কোন আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেছিলেন? কীভাবে তিনি ফাইল হস্তগত করলেন? তা সবিস্তারে জানতে চায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। প্রসঙ্গত, তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বৃহস্পতিবারই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে ইডি।
