সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এও এক মনোবিকারের উদাহরণ। চার বছর ধরে মেয়েকে নিয়ে স্বেচ্ছায় ঘরবন্দি ছিলেন মা। বুধবার দিল্লি পুলিশের পিসিআরে একটি ফোন আসে। এরপরই ঘটনাস্থলে যায় তারা। সত্যতা যাচাই করে মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। ডাক্তাররা বলছেন, দু’জনের শরীরের অবস্থাই দুর্বল। মানসিক অবসাদের শিকার তারা। দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির মহাবীর এনক্লেভ এলাকার ঘটনা।
[যোগীমন্ত্রে দু’দিনে গারদে ৮০০ ‘রোমিও’]
এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, এ দিন দুপুরে একজন পিসিআরে ফোন করে জানান ৪০ বছরের কলাবতীদেবী ও তাঁর মেয়ে বছর কুড়ির দীপা বাড়ির দোতলার ঘরে নিজেদের বন্দি করে রেখেছেন। তবে পুলিশ যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়, তাঁদের ঘরের দরজা খোলা ছিল। মা-মেয়েকে দেখে প্রথমটা হকচকিয়েই যান পুলিশ কর্মীরা। ওই পুলিশ আধিকারিক বলেন, দেখেই মনে হচ্ছিল অপুষ্টিতে ভুগছেন।
[বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলা দু’সপ্তাহ পিছিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট]
কলাবতী দেবীর সঙ্গে তাঁর শ্বশুরমশাই মহাবীর মিশ্র থাকেন। পুলিশের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানিয়েছেন, দিনে একবার বউমা ও নাতনিকে তিনি খাবার দিতেন। আর তা বউমা সময়মতো চেয়ে নিতেন। ২০০০ সালে মহাবীর মিশ্রর স্ত্রী মারা যান। বছর চারেক আগে এক পথদুর্ঘটনায় তাঁর ছেলেরও মৃত্যু হয়। এরপর থেকেই মা-মেয়ে নিজেদের ঘরবন্দি করে ফেলে। কলাবতীদেবী কখনও কখনও দাবি করতেন, স্বামীর সঙ্গে ঘরের ভিতর কথা হয় তাঁর। মহাদেব জানান, আর্থিক স্বচ্ছলতা না থাকায় হাসপাতালে রেখে তাদের চিকিৎসা করাতে পারেননি। তবে বাড়িতে একজন ডাক্তার তাঁদের দেখতে আসতেন। ঘটনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
The post চার বছর ধরে নিজেদের ঘরবন্দি করে রেখেছেন এই মা ও মেয়ে appeared first on Sangbad Pratidin.
