shono
Advertisement
Yogi Adityanath

স্বদেশি পণ্যের নয়া উড়ান, উত্তরপ্রদেশের হস্তশিল্পকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পৌঁছে দিতে বড় পদক্ষেপ যোগীর

যোগী আদিত্যনাথ সরকারের হাত ধরে এবার বিশ্ববাজারে পা রাখতে চলেছে রাজ্যের হস্তশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী দেশি পণ্য। স্থানীয় কারিগরদের উৎপাদিত সামগ্রীকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিতে আগ্রা, বারাণসী এবং লখনউতে দ্রুত গতিতে গড়ে তোলা হচ্ছে অত্যাধুনিক 'পিএম ইউনিটি মল'। মূলত ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট (ওডিপি) এবং জিআই ট্যাগপ্রাপ্ত পণ্যগুলিকে একই ছাদের তলায় এনে বিপণন করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 01:47 PM Mar 16, 2026Updated: 04:05 PM Mar 16, 2026

উত্তরপ্রদেশের মুকুটে নয়া পালক। যোগী আদিত্যনাথ সরকারের হাত ধরে এবার বিশ্ববাজারে পা রাখতে চলেছে রাজ্যের হস্তশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী দেশি পণ্য। স্থানীয় কারিগরদের উৎপাদিত সামগ্রীকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিতে আগ্রা, বারাণসী এবং লখনউতে দ্রুত গতিতে গড়ে তোলা হচ্ছে অত্যাধুনিক 'পিএম ইউনিটি মল'। মূলত ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট (ওডিপি) এবং জিআই ট্যাগপ্রাপ্ত পণ্যগুলিকে একই ছাদের তলায় এনে বিপণন করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

Advertisement

কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিতে জোয়ার আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে মহিলা ও যুব সম্প্রদায়ের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন দিশা দেখাবে এই মলগুলি। আগ্রার শিল্পগ্রাম এলাকায় প্রায় ১২৯ কোটি টাকা ব্যয়ে গড়ে উঠছে বিশাল এক ইউনিটি মল। সাড়ে এগারো একর জমিতে নির্মীয়মাণ এই মলে ব্রজ অঞ্চলের হস্তশিল্প এবং ফিরোজাবাদের কাচের কাজের বিশেষ প্রদর্শনী ও বিক্রয় কেন্দ্র থাকবে। ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের বেসমেন্ট ও ফাউন্ডেশনের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।

অন্যদিকে, বারাণসীর গঙ্গানগর কলোনিতে প্রায় ১৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে দ্বিতীয় মলটি। সেখানে বারাণসীর জগদ্বিখ্যাত সিল্ক শাড়ি, কাঠের খেলনা এবং রুদ্রাক্ষের মতো ঐতিহ্যবাহী সামগ্রীর জন্য আলাদা জায়গা নির্দিষ্ট করা থাকছে। লখনউয়ের অবধ শিল্পগ্রামেও পুরোদমে চলছে মলের কাজ। চিকনকারি ও জর্দোজি কাজের সম্ভার নিয়ে তৈরি এই মলটি ২০২৬ সালের জুনের মধ্যেই সাধারণের জন্য খুলে যাওয়ার কথা।

প্রশাসন সূত্রের খবর, এই ইউনিটি মলগুলি কেবল বিপণন কেন্দ্র নয়, বরং রাজ্যের ৭৫টি জেলার নিজস্ব ঘরানার শিল্পের এক মিলনমেলা হয়ে উঠবে। এর ফলে কারিগররা সরাসরি বড় বাজারের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন, যা মধ্যস্বত্বভোগীদের দাপট কমিয়ে তাঁদের আয় বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে। উত্তরপ্রদেশের এই উদ্যোগ আদতে 'স্বদেশি' ভাবনাকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি পর্যটন শিল্পকেও এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। লোকজ সংস্কৃতি ও আধুনিক পরিকাঠামোর এই মেলবন্ধন উত্তরপ্রদেশের অর্থনীতিতে এক দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement