shono
Advertisement
Zohran Mamdani

নিজের চরকায় তেল দিন! উমর খালিদকে চিঠি প্রসঙ্গে মামদানিকে কড়া বার্তা ভারতের

খালিদের জামিনের আবেদন ফের খারিজ হয়েছে শীর্ষ আদালতে।
Published By: Anustup Roy BarmanPosted: 02:52 PM Jan 10, 2026Updated: 06:00 PM Jan 10, 2026

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সদ্য নিউইয়র্কের মেয়র পদে শপথ নেওয়া জোহরান মামদানি (Zohran Mamdani) ২০২০-র দিল্লি দাঙ্গা মামলায় অভিযুক্ত ছাত্রনেতা উমর খালিদকে সহানুভূতি জানিয়ে বার্তা পাঠানোয় ক্ষুব্ধ নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে এজন্য মামদানিকে নোট পাঠিয়ে জানিয়ে দেওয়া হল, জনপ্রতিনিধিরা অন্য গণতান্ত্রিক দেশগুলির বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতাকে মর্যাদা দেবেন, এটাই কাম্য।

Advertisement

ডিসেম্বরে খালিদের বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা হয় ভারতীয় বংশোদ্ভূত মামদানির। তখনই খালিদকে সমবেদনা জানিয়ে তাঁদের হাতে সেই হাতে লেখা নোট তুলে দেন তিনি। সেই নোটে মামদানি লেখেন, "প্রিয় উমর, তিক্তকা সম্পর্কে তোমার কথা এবং তিক্ততাকে নিজেকে গ্রাস না করতে দেওয়ার গুরুত্ব প্রসঙ্গে আমি প্রায়ই ভাবি। তোমার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করে খুশি হয়েছি। আমরা সবাই তোমার কথা ভাবছি।" 

মামদানির চিঠি প্রসঙ্গে বিদেশ মন্ত্রকে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, "আমরা আশা করি অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশের জনপ্রতিনিধিরা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবেন। ব্যক্তিগত পক্ষপাত প্রকাশ করা পদে থাকা ব্যক্তিদের জন্য শোভনীয় নয়। এই ধরনের মন্তব্যের পরিবর্তে, তাদের উপর অর্পিত দায়িত্বের উপর মনোনিবেশ করা ভাল হবে।"

খালিদের প্রতি মামদানির সমর্থনের সূত্রপাত হয় নিউ ইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলির সদস্য হিসেবে মামদানির প্রথম মেয়াদে। ২০২৩ সালের জুন মাসে, প্রধানমন্ত্রী মোদীর আমেরিকা সফরের বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ সভায়, খালিদের জেল ডায়েরির কিছু অংশ পড়ে শোনান মামদানি। সেই সময় খালিদকে একজন পণ্ডিত এবং প্রাক্তন ছাত্র রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচয় দেন তিনি। মামদানি বলেন খালিদকে অন্যায়ভাবে আটকে রাখা হয়েছে।

গত মাসে আমেরিকায় গিয়েছিলেন উমরের বাবা সৈয়দ কাশিম রসুল ইলিয়াস এবং মা সাবিনা খানাম। সেসময়েই আমেরিকার একাধিক রাজনীতিকদের সঙ্গে তাঁদের সাক্ষাৎ হয়। জানা গিয়েছে, নিউ ইয়র্কের মেয়র নির্বাচিত হওয়া মামদানির সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন উমরের মা-বাবা। সেসময়ে জেলবন্দি ছাত্রনেতার জন্য নিজের হাতে লেখা চিঠি পাঠিয়েছেন মামদানি।

মামদানির এই চিঠি প্রকাশ্যে আসার পরেই জানা যায়, মার্কিন সেনেট এবং কংগ্রেস মিলিয়ে মোট ৮ জনপ্রতিনিধি চিঠি লিখেছেন আমেরিকায় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বিনয় কোত্রাকে। মার্কিন জনপ্রতিনিধিদের কথায়, 'পাঁচবছর ধরে উমর খালিদ জেলে বন্দি রয়েছেন। ভারতের উচিত যুক্তিযুক্ত সময়ে বিচারপ্রক্রিয়া শেষ করা এবং দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া।' দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে সরকারের উদ্যোগ নেওয়া উচিত বলেও ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০২০-র সেপ্টেম্বরে দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া খালিদের জামিনের আবেদন ফের আদালতে খারিজ হয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • উমর খালিদকে সহানুভূতি জানিয়ে বার্তা পাঠানোয় ক্ষুব্ধ নয়াদিল্লি।
  • সরকারিভাবে এজন্য মামদানিকে নোট পাঠিয়ে জানিয়ে দেওয়া হল।
  • ডিসেম্বরে খালিদের বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা হয় ভারতীয় বংশোদ্ভূত মামদানির।
Advertisement