আর জি কর হাসপাতালের লিফটে মৃত্যুর ঘটনায় (R G Kar Hospital Lift Accident) টালা থানায় এফআইআর দায়ের। অভিযোগ দায়ের করলেন মৃত অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবা অমল বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজন লিফটম্যান ও ২ জন ইআরএস নিরাপত্তারক্ষীকে আটক করেছে পুলিশ। এদিকে অরূপের ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, অরূপের শরীরে ভিতর ও বাইরে মিলছে ২৫টি আঘাত।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৫/৩(৫) ধারা অর্থাৎ অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। ৫ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। আরও জানা গিয়েছে, ঘটনায় অরূপের হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস ও যকৃৎ ফেটে যায়, পা, হাত ও পাঁজরের হাড়ও ভেঙে গিয়েছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৫/৩(৫) ধারা অর্থাৎ অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। ৫ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। আরও জানা গিয়েছে, ঘটনায় অরূপের হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস ও যকৃৎ ফেটে যায়। পা, হাত ও পাঁজরের হাড়ও ভেঙে গিয়েছিল। এবার প্রশ্ন উঠতে পারে তাঁর সন্তান ও স্ত্রীর বড় কোনও আঘাত লাগেনি কেন?
জানা গিয়েছে, লিফটটি প্রথমে যে ফ্লোরে গিয়ে থামে, সেখান থেকে অরূপের সন্তানকে বার করে নেওয়া হয়। অরূপ ও তাঁর স্ত্রী আটকে যান ভিতরে। বলা ভালো লিফটের দুই দরজার মাঝে আটকে যায় অরূপের শরীর। আতঙ্কে লিফটের মধ্যেই নিচু হয়ে বসে পড়েন তাঁর স্ত্রী। তারপরই লিফট নিচে নেমে আসে। অনুমান, দুই দরজার মাঝে আটকে ও লিফট নিচে নেমে আসার অভিঘাতে মারাত্মকভাবে আহত হন অরূপ। তাতেই মৃত্যু। তবে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, শুক্রবার দমদমের বাসিন্দা অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় ছেলের চিকিৎসার জন্য স্ত্রীর সঙ্গে লিফট করে হাসপাতালের পাঁচতলার ট্রমা কেয়ার সেন্টারে যাচ্ছিলেন। লিফট চালু হওয়ার পর কোনও কারণে ঝাঁকুনি দিয়ে সেটি আটকে যায়। উপরে ওঠার পরিবর্তে নিচে নেমে আসে লিফটটি। তারপরে লিফট খুলে অরূপকে বের করে আনা হয়, ততক্ষণে অবশ্য অচেতন হয়ে পড়েন ওই ব্যক্তি। পরে চিকিৎসকরা জানান, অরূপের মৃত্যু হয়েছে।
