বেলেঘাটার বিজেপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে পার্টি অফিসে বিক্ষোভ। বদলাতে হবে প্রার্থী। এই দাবিতে লকেট চট্টোপাধ্যায় ও অন্যান নেতত্বদের ঘিরে স্লোগান। কর্মী-সমর্থকদের আঙুল উঁচিয়ে শাসানির অভিযোগ লকেটের বিরুদ্ধে। আর এই পরিস্থিতিতেই তৃণমূলের কটাক্ষ গেরুয়া শিবিরকে। ঘাসফুল শিবিরের বক্তব্য, মাটির সঙ্গে, জনতার সঙ্গে সংযোগ নেই বিজেপির। কিছুদিন পর বিজেপির কর্মী-সমর্থকরাও দলের সঙ্গে থাকবে না।
এখনও পর্যন্ত দু'দফায় ২৫৫টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপি। বেলেঘাটায় বিজেপির প্রার্থী করা হয়েছে পার্থ চৌধুরীকে। এই আসনে প্রার্থী বদলের দাবিতে, আজ শুক্রবার রাজ্য বিজেপির সদর দপ্তর সল্টলেকে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীদের একাংশ।
এখনও পর্যন্ত দু'দফায় ২৫৫টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপি। বেলেঘাটায় বিজেপির প্রার্থী করা হয়েছে পার্থ চৌধুরীকে। আর এই আসনেই প্রার্থী বদলের দাবিতে, শুক্রবার রাজ্য বিজেপির সদর দপ্তর সল্টলেকে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীদের একাংশ। মুহূর্তে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
সেই সময়ে কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় ও অন্যান্য নেতানেত্রীরা। তাঁরা বেরিয়ে আসেন। আর সঙ্গে সঙ্গেই তাঁদের ঘিরে স্লোগান দিতে থাকেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। সেই সময় লকেটকে কর্মীদের শাসানোর অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনাকে কটাক্ষ করে তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, "এ থেকেই বোঝা যায় বিজেপির নেতারা দিল্লির কাচের ঘরে বসে প্রার্থী ঠিক করেন। মাটি ও জনতার সঙ্গে ওদের কোনও যোগাযোগ নেই। আগামিদিনে ওদের কর্মী-সমর্থকরা ওদের সঙ্গে থাকবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার আরও বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসতে চলেছেন।"
সমতল থেকে পাহাড়ের বিভিন্ন আসনে প্রার্থী বদলের দাবিতে সরব হয়েছেন বিজেপির কর্মী ও স্থানীয় নেতৃত্বরা। সেই দাবি মানা না হলে দল থেকে পদত্যাগ করে, নির্দল প্রার্থী দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অনেকে। এই আবহে কলকাতার বেলেঘাটার প্রার্থী বদলকে কেন্দ্র করে সল্টলেকে কার্যালয়ে বিক্ষোভ দেখালেন কর্মীরা। উল্লেখ্য, বেলেঘাটায় তৃণমূল প্রার্থী করেছে দলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষকে। তিনি প্রচারও শুরু করে দিয়েছেন। প্রার্থীর বিরুদ্ধে এই বিক্ষোভ তাঁকে অনেকটা সুবিধা করে দেবে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।
