shono
Advertisement
Bengal SIR

SIR প্রক্রিয়ায় নাম বাদের সংখ্যা ৬৫ লক্ষ পার, এইআরওদের 'বরখাস্ত' নিয়ে কী সাফাই কমিশনের?

রাজ্যের এসআইআর প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে ৭ জন এইআরও-র সাসপেনশন ইস্যু ঘিরে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে উত্তাপ বাড়ছে।
Published By: Kousik SinhaPosted: 09:10 PM Feb 16, 2026Updated: 09:10 PM Feb 16, 2026

রাজ্যকে এড়িয়ে নির্বাচন কমিশন সাত এইআরও-কে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। প্রশ্ন উঠেছে, এভাবে কী রাজ্য সরকারের কোনও কর্মীকে সরাসরি কমিশন শাস্তি দিতে পারে? কমিশনের সাফাই, নিয়ম না মানলে সকলকেই শাস্তি দিতে পারে। ২০০০ সালে সুপ্রিম কোর্টে কমিশন, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের চুক্তি অনুযায়ী নির্বাচন এবং ভোটার তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে কমিশনকে সর্বোচ্চ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তবে রাজ্যকে এড়িয়ে সরাসরি কমিশনের শাস্তির বিধান এটাই প্রথম ঘটনা। সেক্ষেত্রে প্রয়োজনে রাজ্য কমিশনের সঙ্গে কথা বলে অভিযুক্তদের শাস্তি কমিয়ে দিতে পারে। আবার শুনানি শেষ বলে কমিশন জানালেও তথ্য আপলোড বকেয়া রয়েছে। তাই তথ্য আপলোডের সময়সীমা বাড়াতে কমিশনের কাছে আবেদন জানিয়েছেন মুখ্য সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। এদিনও প্রায় ৫০ হাজার জন নতুন করে অযোগ্য প্রমাণিত হয়েছে। ফলে বাদের তালিকা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। সোমবার পর্যন্ত নাম বাদের সংখ্যা ৬৫ লক্ষ ছাড়িয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

Advertisement

এদিনও প্রায় ৫০ হাজার জন নতুন করে অযোগ্য প্রমাণিত হয়েছে। ফলে বাদের তালিকা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। সোমবার পর্যন্ত নাম বাদের সংখ্যা ৬৫ লক্ষ ছাড়িয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

রাজ্যের এসআইআর প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে ৭ জন এইআরও-র সাসপেনশন ইস্যু ঘিরে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে উত্তাপ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের সিইও দফতর স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, সব কাজই নিয়ম মেনেই হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও নিয়ম মেনেই হবে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক তথা সিইও মনোজ আগরওয়াল বলেন, “লাগামছাড়া ক্ষমতা কাউকেই দেওয়া হয়নি। এইআরও-দের সাসপেন্ড করা হয়েছে আইন মেনেই।’’ তিনি জানান, যে ৭ জন এইআরও-কে সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁরা এসআইআর গাইডলাইন লঙ্ঘন করেছেন। এছাড়া স্পষ্ট করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন-এর সঙ্গে পরামর্শ করেই একমাত্র রাজ্য সরকার এই ৭ জনের সাসপেনশন প্রত্যাহার করতে পারে। অন্য কোনও পদ্ধতি নেই।

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক তথা সিইও মনোজ আগরওয়াল বলেন, “লাগামছাড়া ক্ষমতা কাউকেই দেওয়া হয়নি। এইআরও-দের সাসপেন্ড করা হয়েছে আইন মেনেই।’’ তিনি জানান, যে ৭ জন এইআরও-কে সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁরা এসআইআর গাইডলাইন লঙ্ঘন করেছেন।

একই সঙ্গে কমিশন আরও জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গই একমাত্র রাজ্য, যেখানে সরাসরি সাসপেনশনের নির্দেশ দিয়েছে। বিএলও থেকে শুরু করে ইআরও সব স্তরেই নিয়ম মেনে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের সাফাই, সাময়িক বরখাস্ত সাত আধিকারিককে অনিয়ম না করার জন্য সতর্ক করেছিলেন মাইক্রো অবজার্ভার ও অবজার্ভার। কিন্তু এঁরা সতর্কবার্তা না শুনে অনিয়ম অব্যাহত রেখেছিলেন। তাই কড়া ব্যবস্থা নিতে হয়েছে। অন্যদিকে, শুনানির সময় প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পরেও যদি কারও নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ে, তবে প্রথমে ডিইও-র কাছে আপিল করতে হবে। সেখানে নিষ্পত্তি না হলে রাজ্যের সিইও-র কাছে আবেদনের সুযোগ থাকবে।

প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট ২ লক্ষ ৮ হাজার ৮৭০ জন অযোগ্য ভোটার চিহ্নিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। সব মিলিয়ে, এসআইআর প্রক্রিয়া শেষের মুখে দাঁড়িয়ে প্রশাসনের বার্তা স্পষ্ট - নিয়মভঙ্গ করলে কোনও রেয়াত নেই, এবং ভোটার তালিকা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখাই প্রধান লক্ষ্য। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement