Advertisement

রাজ্য নেতাদের ডাকা বৈঠকে গরহাজির বহু পরাজিত প্রার্থী, প্রশ্ন বিজেপির অন্দরে

03:52 PM May 15, 2021 |
Advertisement
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটে হেরে গিয়েছেন। বিধায়ক হওয়া হয়নি। দল ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখিয়েছিল। ২০০টি আসন জয়ের দাবি করেছিল। সেসব স্বপ্ন অধরা। ২০০ তো দূর কি বাত, বঙ্গ বিধানসভার ১০০ আসনের কাছাকাছিও যেতে পারেনি গেরুয়া শিবির। আর স্বপ্নভঙ্গ হতেই বঙ্গ বিজেপির (BJP) অন্দরে তোলপাড়। ভোটের আগে বিজেপির যে হেস্টিংস দপ্তরে নিয়মিত চাঁদের হাঁট বসত। সেখানে এখন বেশিরভাগ সময় মাছি তাড়ানোর হাল। এমনকী, জেলার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় রাজ্য নেতাদের ডাকা বৈঠকেও গরহাজির থাকছেন গেরুয়া শিবিরের বহু পরাজিত প্রার্থী। বিশেষ করে ভোটের আগে দলে ঢোকা অনেকের সঙ্গে নাকি যোগাযোগই করা যাচ্ছে না।

Advertisement

বিভিন্ন জেলার পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য শুক্রবার বিজেপির হেস্টিংস অফিসে বৈঠক ডাকা হয়েছিল। তাতে উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৈঠকে ডাকা হয়েছিল দলের প্রথম সারির অধিকাংশ নেতা এবং পদাধিকারীদের। কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিনের বৈঠকে উপস্থিতির থেকে অনুপস্থিতির সংখ্যাটাই বেশি চোখে পড়ল। দলের পাঁচজন সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে বৈঠকে উপস্থিত ছলেন মাত্র ২ জন। সায়ন্তন বসু এবং সঞ্জয় সিং। অনুপস্থিত ছিলেন জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, রথীন বসু, লকেট চট্টোপাধ্যায়রা। রাজ্য বিজেপির ১২ জন সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে শুক্রবারের বৈঠকে হাজির ছিলেন মোটে জনা চারেক। অনুপস্থিত ছিলেন রাজ্য সম্পাদকদের অনেকেই। রাজ্য কমিটির সদস্যদের মধ্যে বাছাই করা কিছু পরিচিত মুখকে শুক্রবারের বৈঠকে ডেকেছিলেন দিলীপ ঘোষরা। কিন্তু এদের অনেকেই বৈঠকে যাননি। অনুপস্থিতির তালিকায় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, সব্যসাচী দত্ত, ভারতী ঘোষরা। উল্লেখযোগ্য ভাবে এদের প্রত্যেককে নিজ নিজ এলাকায় হারতে হয়েছে। আশেপাশের কেন্দ্রগুলিতেও চমকপ্রদ ফলাফল করেছে তৃণমূল (TMC)।

[আরও পড়ুন: সামনে মমতার জয়, ‘খেলা হবে’ স্লোগান, দু’বছর আগে থেকেই ত্রিপুরা গুছিয়ে নিচ্ছে তৃণমূল]

কিন্তু এভাবে দলের নেতাদের অনুপস্থিতির কারণ কী? দিলীপ ঘোষরা বলছেন, কোভিড পরিস্থিতির জন্য যারা দূরে থাকেন, তাঁরা আসতে পারেননি। আর তাছাড়া রাজ্যজুড়ে বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত। অনেকেই নিজেদের এলাকায় কর্মীদের রক্ষা করার কাজ করছেন। কিন্তু দলের অন্দরে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে অন্য কথা। কেউ কেউ বলছেন, এইসব নেতাদের অনেকেই দলে এসেছিলেন শুধু বিধায়ক হতে। ভোটে হেরে যাওয়ার পর অনেকের সঙ্গেই যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। রাজ্য নেতারাও ফোনে পাচ্ছেন না।

Advertisement
Next