ভেঙে চুরমার তৃণমূল কংগ্রেস। বিধানসভায় টান টান নাটকের মাঝে রাজ্যের সব কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে একথা জানানো হয়েছে। অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার কথা জানিয়েছে দল। দলের এই সিদ্ধান্তের কারণে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ, মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস, তৃণমূল যুব কংগ্রেস, ট্রেড ইউনিয়ন, সংখ্যালঘু সেল-সহ সমস্ত কমিটি, সংগঠন ভেঙে দেওয়া হয়েছে। যদিও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আর থাকবেন কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
https://twitter.com/AITCofficial/status/2062080977271484852
আজই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বোসের কাছে জমা পড়েছে তৃণমূলের ৫৮ বিদ্রোহী বিধায়কের সই করা চিঠি। এই ‘আসল তৃণমূলে’র বিধায়করা দলনেতা হিসেবে চাইছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। উপ দলনেতা সন্দীপন সাহা, জাভেদ খান ও শিউলি সাহা। মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামান। সূত্রের খবর, সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নেত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনার পরই তৃণমূল কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। এরপরই দলের সব কমিটি ও সংগঠন ভেঙে দিল তৃণমূল কংগ্রেস।
বেসুরো বিধায়কদের নিয়ে বেসামাল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের বেশিরভাগ বিধায়কই বেসুরো তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। দলের একাধিক কমিটির পদে ছিলেন এই বিধায়করা। যেমন, দলের আইএনটিটিইউসি-র সভাপতি পদে ছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। 'নতুন তৃণমূল'-এর দলনেতা হিসেবে তাঁর নাম সামনে এসেছে। গতকালই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ ঋতব্রতের উদ্দেশে প্রশ্ন তোলেন, তিনি আইএনটিটিইউসির সভাপতি পদ থেকে এখনও ইস্তফা দেননি কেন? সব পদ ও কমিটির অবলুপ্তির পর দলের তরফে জানানো হয়েছে, কাজের মূল্যায়নের পর নতুন কমিটি তৈরি করা হবে।
