বাংলায় শুরু হল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে টাকা দেওয়ার কাজ। ভোটপর্বে বিজেপির 'সংকল্পপত্রে' বাংলার মা বোনেদের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের মাধ্যমে মাসে মাসে তিন হাজার টাকা করে দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সেই মতোই আজ, বুধবার থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা দেওয়ার কাজ শুরু হয়। প্রথম পর্বে এদিন ২৮ লাখ ২৫ হাজার ৭৬৯ জন মহিলার অ্যাকাউন্টে সরাসরি এই টাকা দেওয়া হয়েছে বলে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর।
নবান্নে বৈঠক শেষে এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানেই তিনি বলেন, ''খুব অল্প সময়ের মধ্যে মুখ্যসচিব, অর্থসচিব-সহ সমস্ত আধিকারিকের সহযোগিতায় এই প্রকল্পের সূচনা হল। যারা যোগ্য সবাই এর সুযোগ পাবেন।'' মুখ্যমন্ত্রী জানান, অন্নপূর্ণা যোজনায় (Annapurna Yojana) নতুন করে ফর্ম দেওয়া হয়েছে। প্রথম থেকে নভিভুক্তকরণের কাজ শুরু হয়েছে। এর কারণ ব্যাখ্যা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, ''এসএআইআর পরবর্তী সময় দেখা গিয়েছে বহু ভোটারের নাম স্থায়ীভাবে তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এমন লক্ষ লক্ষ ব্যক্তি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-সহ একাধিক সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছিলেন। আমরা চাই না কোনও অভারতীয়র অ্যাকাউন্টে সরকারের টাকা যাক।''
নবান্নে বৈঠক শেষে এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি বলেন, ''খুব অল্প সময়ের মধ্যে মুখ্যসচিব, অর্থসচিব-সহ সমস্ত আধিকারিকের সহযোগিতায় এই প্রকল্পের সূচনা হল। যারা যোগ্য সবাই এর সুযোগ পাবেন।''
শুধু তাই নয়, এই প্রসঙ্গে এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সঙ্গে এগোচ্ছে। অনলাইন এবং অফলাইনে এই ফর্ম পাওয়া যাবে। যারা এই ফর্মফিলাপ করতে পারবেন না তাঁদের বাড়িতে প্রতিনিধি পাঠানো হবে। ফর্মফিলআপের দায়িত্ব সরকারের। আগামী তিনমাস ফর্ম ফিলআপের প্রক্রিয়া চলবে। সাতদিন অন্তর তালিকা সংশোধনের কাজ করা হবে বলেও এদিন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে এদিন অগ্নিমিত্রা পাল জানান, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের (Annapurna Yojana) জন্য যারা আবেদন করেছেন, আজ থেকেই সরাসরি ব্যাঙ্ক ট্রান্সফারের মাধ্যমে তাঁরা টাকা পেয়ে যাবেন। অন্যদিকে আজ থেকেই অনলাইনে ফর্ম ভরা যাবে বলেও এদিন ঘোষণা করেন মন্ত্রী। তাঁর কথায়, ফর্ম ভরার পাঁচ থেকে সাতদিনের মধ্যে টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাবে।
