গোবিন্দ রায়: অবৈধভাবে মাটি কেটে সেই আয় থেকে চলছে ইটভাটা! এনিয়ে বিরক্ত কলকাতা হাই কোর্ট। এবার এই মামলায় জেলাশাসকদের রিপোর্ট তলব করলেন হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। অভিযোগ উঠেছিল, অবৈধভাবে মাটি কেটে সেগুলি স্থানীয় ইটভাটায় জমা করা হচ্ছে। তার জেরে জমি ক্ষতিগ্রস্ত এবং মাটিক্ষয় থেকে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ। তার পরিপ্রেক্ষিতেই জেলাশাসকদের কাছে এই রিপোর্ট তলব।
শুক্রবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বিভিশন বেঞ্চ ইটভাটা মামলায় রাজ্যের কাছে জানতে চায়, এ নিয়ে সব জেলায় নোটিস পাঠানো হয়েছে কি না। এরপরই ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, আগামী ৩ সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে এই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। তারপরেই এই মামলার শুনানি হবে বলেও জানিয়ে দিয়েছে আদালত। অভিযোগ, রাজ্যজুড়ে অবৈধভাবে মাটি কাটা হচ্ছে। আর তা সংরক্ষণ করে রাখা হচ্ছে ইটভাটাগুলিতে। এই নিয়ে হাই কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।
প্রসঙ্গত, এই মামলায় ২০২৪ সালের ২৬ জুন সার্কুলার ইস্যু করতে বলছিল হাই কোর্ট। রাজ্যের কোথাও মাটি কাটা ও তা ইটভাটায় সেই মাটি জমা করা যাবে না, এই মর্মে ওই সার্কুলার জারি করে আদালত। এরপরও অথৈভাবে মাটি কাটা ও ইটভাটায় সংরক্ষণের কাজ বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ। স্থানীয় ইটভাটাগুলির তরফে অভিযোগ ওঠে, এভাবে মাটি কাটার জন্য জলঙ্গি নদীর গভীরে প্রায় ২ থেকে আড়াই ফুট গভীরতা তৈরি হয়ে গিয়েছে। প্রতি বছর সেই কারনেই এত বন্যা হচ্ছে।। এর বিহিত চেয়ে হাই কোর্টে মামলা দায়ের হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতে জেলাশাসকদের রিপোর্ট তলব করল হাই কোর্ট।
