কৃষ্ণকুমার দাস: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) রামপুরহাটের সভা ঘিরে অনিশ্চয়তা। হেলিকপ্টার ওড়ার অনুমতি দিল না DGCA । দীর্ঘক্ষণ ধরে বেহালা ফ্লাইং ক্লাবে অপেক্ষায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তবে অনুমতি না মিললে প্রয়োজনে সড়কপথে রামপুরহাটে (Rampurhat) পৌঁছবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। বললেন, "রামপুরহাটে যাব। সোনালি বিবির সঙ্গে দেখাও করব।"
ছাব্বিশের নির্বাচনকে পাখির চোখ করে রাজ্যজুড়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ, মঙ্গলবার বীরভূমে সভা-সহ একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। কথা ছিল, বেলা ১২ টায় বেহালা ফ্লাইং ক্লাব থেকে চপারে বীরভূম উড়ে যাবেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। ১২ টা বেজে ৫৩ মিনিটে তারাপীঠ সংলগ্ন চিনার মাঠে তার চপারের অবতরণের কথা ছিল। তারাপীঠে পুজো দিয়ে দুপুর দেড়টায় রামপুরহাটের বিনোদপুর মাঠের রণসংকল্প সভায় পৌঁছে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। তাঁকে স্বাগত জানাতে নির্ধারিত সময়েই মঞ্চে পৌঁছে যান অনুব্রত মণ্ডল, রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা, ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, কাজল শেখ-সহ অন্যান্যরা। বেলা ১ টায় শুরু হয়ে যায় অনুষ্ঠানও। কিছুক্ষণ পরই জানা যায়, অনুমতি পায়নি অভিষেকের হেলিকপ্টার। স্বাভাবিকভাবেই সভা হবে কি না, তা নিয়ে দোলাচল শুরু হয়।
তবে অভিষেক সাফ জানিয়েছেন, চপারের অনুমতি না মিললেও তিনি রামপুরহাট যাবেনই। সাংসদ বলেন, "প্রয়োজনে সড়কপথেই রামপুরহাট যাব। সভার পাশাপাশি হাসপাতালে গিয়ে সোনালি বিবির সঙ্গে দেখাও করব।" রাতে তারাপীঠে থাকতে পারেন তিনি। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এখনও বেহালা ফ্লাইং ক্লাবেই রয়েছেন তৃণমূল সেনাপতি। গোটা ঘটনার নেপথ্যে চক্রান্ত বলেই দাবি তৃণমূলের। তাঁদের কথায়, "অভিষেককে ভয় পেয়েছে। তাই সভা ভণ্ড করতেই কোনও কারণ না দেখিয়েই চপার ওড়ার অনুমতি দেয়নি DGCA।" সিপিএম-কংগ্রেসের প্রশ্ন, "বীরভূম যেতে চপার লাগে?"
