Advertisement

খাওয়াতে গিয়ে করোনা রোগীর মৃত্যু! বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে কমিশনে মৃতের মেয়ে

09:57 PM May 14, 2021 |

অভিরূপ দাস: করোনা (Corona Virus) রোগীর মৃত্যুতে নার্সদের গাফিলতির অভিযোগ তুলল রোগীর পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, অক্সিজেন মাস্ক (Oxygen Mask) খুলে খাওয়ানোর রাইলস টিউব পরাতে গিয়েই হয়েছে বিপত্তি। মারা গিয়েছেন রোগী। এই অভিযোগ জমা পরেছে রাজ্য স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কমিশনে। যদিও তা অস্বীকার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

গত ৫ মে সল্টলেক সেক্টর থ্রি এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন তপন ঘোষ। ৬৫ বছরের তপনবাবুর শ্বাসকষ্ট ছিল। অক্সিজেন স্যাচুরেশন নামছিল দ্রুত। কোভিড (COVID-19) টেস্ট করাতে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তপনবাবুর মেয়ে সল্টলেকের ওই বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি করেন। সেই সূত্রেই বাবাকে ভরতি করান সেখানে। রেমডেসিভির, স্টেরয়েড ছাড়াও কড়া অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া সত্ত্বেও কাজ হয়নি। গত ১০ মে মৃত্যু হয় তপনবাবুর।

[আরও পড়ুন: মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে নিজের সন্তানকেই ফেলে যাওয়ার চেষ্টা করোনা রোগীর! হুলস্থুল এলগিন রোডে]

ক্ষুব্ধ কন্যার অভিযোগ, অক্সিজেন মাস্ক খুলে রাইলস টিউব পরাতে গিয়ে শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর বাবার। মেডিক্যাল সাপোর্ট ছাড়া রাইলস টিউব পরাতে গিয়েই এমনটা হয়েছে। হাসপাতালের সুপার প্রসেনজিৎ বর্ধন রায় যদিও দাবি, “এমন ঘটনা আদৌ সত্যি নয়। কোভিড রোগী তপনবাবুর একাধিক কোমর্বিডিটি ছিল। হাই সুগার ছাড়াও উচ্চ রক্তচাপ ছিল তাঁর। ওনার মেয়েকে আমরা আগেই জানিয়েছিলাম, তপনবাবুর শরীরের যা অবস্থা যে কোনও সময় যেকোনও কিছু হতে পারে। তাঁকে বাঁচাতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছিল হাসপাতালের চিকিৎসকরা। কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি।”

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

সূত্রের খবর, সম্প্রতি মাকেও হারিয়েছেন তপনবাবুর মেয়ে মানসী। বাবাও কোভিডে চলে যাওয়ায় ভেঙে পড়েছেন তিনি। শোকের কারণেই হয়তো এমন অভিযোগ এনেছেন বলে মনে করছেন হাসপাতাল পক্ষের অনেকে। অভিযোগ পেয়ে গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখছে রাজ্য স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কমিশন। ঘটনার উপযুক্ত তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে কমিশনের  পক্ষ থেকে। 

[আরও পড়ুন: রাজভবনের সামনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যুতে দায়ের অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা]

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
Advertisement
Next