আর জি করের পর এসএসকেএম (SSKM)। একই দিনে রাজ্যের আরও এক সরকারি হাসপাতালে দেহ উদ্ধার যুবকের। শুক্রবার সকালে এসএসকেএম হাসপাতালে উদ্ধার এক সাফাই কর্মীর ঝুলন্ত দেহ! তিনি গ্যাস্ট্রো বিভাগের চুক্তিভিত্তিক সাফাইকর্মী হিসাবে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম ইমরান সর্দার। বয়স ২২ বছর। তিনি চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসাবে কাজ করতেন। আজ, শুক্রবার সকালে তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পারেন হাসপাতালের কর্মীরা। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় পুলিশে। এই ঘটনার পর ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হাসপাতাল চত্বরে।
শুক্রবার সকালে আর জি কর হাসপাতালের ট্রমা কেয়ারের লিফটে দমদমের বাসিন্দা অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় নামের এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, তাঁর এক ছেলে আর জি কর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্ত্রী ও ছোট ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালের পাঁচতলার ট্রমা কেয়ার সেন্টারে যাচ্ছিলেন। কোনও কারণে তীব্র ঝাঁকুনি দিয়ে লিফট আটকে যায়। উপরে ওঠার পরিবর্তে নিচে নেমে আসে লিফট।
কী করে মৃত্যু তা নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও প্রাথমিক অনুমান, যুবক আত্মঘাতী হয়েছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। তবে যুবক যদি আত্মঘাতী হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে কেন চরম সিদ্ধান্ত, তাও জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।
উল্লেখ্য, শুক্রবার সকালে আর জি কর হাসপাতালের ট্রমা কেয়ারের লিফটে দমদমের বাসিন্দা অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় নামের এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, তাঁর এক ছেলে আর জি কর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্ত্রী ও ছোট ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালের পাঁচতলার ট্রমা কেয়ার সেন্টারে যাচ্ছিলেন। কোনও কারণে তীব্র ঝাঁকুনি দিয়ে লিফট আটকে যায়। উপরে ওঠার পরিবর্তে নিচে নেমে আসে লিফট। তারপর কোনওমতে লিফট খুলে তিনজনকে বের করা হয়। ততক্ষণে অবশ্য অচেতন হয়ে পড়েন ওই ব্যক্তি। পরে চিকিৎসকরা জানান, অরূপের মৃত্যু হয়েছে। তবে তাঁর স্ত্রী ও সন্তান সুস্থই রয়েছেন। এই ঘটনার মাঝেই এসএসকেএম হাসপাতালের চুক্তিভিত্তিক সাফাই ইমরানের দেহ উদ্ধার হয়।
