সামনেই দোলযাত্রা। তার আগেই রঙিন হয়ে উঠলেন দিলীপ ঘোষ। ইকো পার্কে মর্নিংওয়াকে গিয়ে রং খেললেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। গেরুয়া আবির মেখে খোশমেজাজে দেখা গেল তাঁকে। রংবরসে গানের সঙ্গে নাচতেও দেখা গেল তাঁকে। এসআইআরের পর বাংলায় ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন তাঁর দোল খেলার মেজাজ নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে একাংশের মধ্যেও।
কলকাতায় থাকলে প্রতিদিনই ইকো পার্কে মর্নিংওয়াকে যান তিনি। পরিচিত ও সাধারণ প্রাতঃভ্রমণকারীদের সঙ্গে গল্পগুজবও করতে দেখা যায় তাঁকে। আগামী মঙ্গলবার দোল উৎসব। দোলের দিন রঙিন হয়ে ওঠেন সাধারণ মানুষ থেকে রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীরাও। তবে দিলীপ ঘোষ কার্যত তিনদিন আগেই রঙিন হয়ে উঠলেন। আজ, শনিবার সকালে ইকো পার্কে গিয়েছিলেন দিলীপ। সেখানেই পরিচিত, অনুগামীদের সঙ্গে আগাম দোল, হোলি খেয়াল মেতে ওঠেন তিনি। বিয়ের পর সস্ত্রীক একাধিকবার মর্নিংওয়াকে দেখা গিয়েছে দিলীপ ঘোষকে। তবে এদিন দিলীপজায়া রিঙ্কুকে ইকো পার্কে দেখা যায়নি।
ওড়ানো হয় আবির। রংবরসে গানের সঙ্গে নাচতে দেখা যায় দিলীপকে। মাথায় পাগড়ি বেঁধে গেরুয়া আবির মেখে মেতে উঠেছিলেন তিনি। আজই, এসআইআরের পর বাংলায় প্রথম পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। সেই নিয়ে রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন মহলে চর্চাও চলছে। সেই সকালেই আবির মেখে উচ্ছ্বসিত 'দাবাং' নেতা। বাংলায় এসআইআরের পর ভোটার তালিকায় কতটা বদল আসবে? কত জন মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাবে? সেই চর্চা চলছে ওয়াকিবহাল মহলে।
এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মেনে নিয়েছেন এক কোটি ২০ লক্ষ মানুষের নাম বাদ যাবে। আমরাও তো এটাই বলেছিলাম। তাহলে দেরিতে কেন মানলেন?" দিলীপ আরও বলেন, "উনিই লোকসভায় বলেছিলেন, অনুপ্রবেশকারী বাংলায় ভরে গিয়েছে। ২০ বছর চলে গেল উনি কি একজন অনুপ্রবেশকারীকে বার করতে পেরেছেন? পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এতদিন বোঝা বইছেন। এবার নামিয়ে দেবেন।"
