আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। দুপুরেই এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা (SIR Final list in West Bengal) প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। তার আগে সতর্ক নবান্ন। রাজ্য পুলিশকে সবসময় প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া-সহ উত্তরবঙ্গের পুলিশ সুপারদের বিশেষ সতর্ক করা হয়েছে।
অশান্তি রুখতে তৎপরতা ক্রমশ বাড়ছে। শনিবার স্বরাষ্ট্রসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, কমিশনারের মতো উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা নবান্নে থাকবেন।
শুক্রবার রাজ্য পুলিশের ডিজি, আইজিপি দপ্তর থেকে একটি নির্দেশিকা জারি হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে 'এক্সট্রিম রেডিনেস' বা চরম প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একে তো শনিবার এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ। আবার তার উপর মঙ্গল ও বুধবার দোল ও হোলি। সবমিলিয়ে অশান্তি রুখতে তৎপরতা ক্রমশ বাড়ছে। শনিবার স্বরাষ্ট্রসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, কমিশনারের মতো উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা নবান্নে থাকবেন। নবান্নের কন্ট্রোল রুমকেও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে বাংলার যেকোনও প্রান্তে অশান্তির খবর পাওয়া মাত্রই ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়।
এদিকে, শুক্রবার থেকে রাজ্যে আসতে শুরু করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শনিবারের মধ্যে প্রথম দফায় মোট ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসার কথা। তার মধ্যে ৬৬ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে উত্তরবঙ্গে। বাকি ১৭৪ কোম্পানি দক্ষিণবঙ্গের নানা প্রান্তে মোতায়েন হওয়ার কথা। সূত্রের খবর, সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে উত্তর ২৪ পরগনা। বারাসতে ৬ কোম্পানি, বনগাঁয় ৪ কোম্পানি, বসিরহাটে ৭ কোম্পানি, বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটে ৯ কোম্পানি, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে ৪ কোম্পানি মোতায়েন থাকবে। সুতরাং উত্তর ২৪ পরগনায় মোট ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে ৫ কোম্পানি, ডায়মন্ড হারবারে ৬ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। সুন্দরবন পুলিশ জেলায় ৪ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। সবমিলিয়ে এই জেলায় ১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হওয়ার সিদ্ধান্ত। মালদহে ১২ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১০ কোম্পানি, মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুরে ৮ কোম্পানি করে মোট ১৬ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে।
