রাজ্যে বিধানসভা ভোটের (WB Assembly Election 2026) আর মাত্র দু'সপ্তাহ বাকি। এরই মধ্যে রাজ্যে ফের সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED Raids)। এবার রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় একযোগে কলকাতা-সহ রাজ্যের ১২ জায়গায় অভিযান চালাল ইডি।
কয়েকবছর ধরেই রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রয় মল্লিক-সহ একাধিককে এই মামলায় গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন তাঁরা। কিন্তু এখনও দুর্নীতির শিকড়ে পৌঁছতে পারেননি তদন্তকারীর। দুর্নীতির রহস্যভেদেই শুক্রবার ভোরেই ইডি আধিকারিকদের একাধিক দল তল্লাশি অভিযানে বেরিয়েছে।
শুক্রবার ভোরে কলকাতার একাধিক ঠিকানা এবং বনগাঁ, মুর্শিদাবাদ, হাওড়া-সহ মোট ১২টি জায়গায় পৌঁছে যান ইডি আধিকারিকরা। একাধিক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়ে চলছে চিরুনি তল্লাশি। জানা গিয়েছে এদিন পোদ্দার কোর্টের ৮ তলায় ৩ নম্বর গেটের এক ব্যবসায়ী, মিন্টো পার্কে এক ব্যবসায়ীর একাধিক অফিসে তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা। লর্ড সিনহা রোডে ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। ইডি সূত্রের খবর, রেশন দুর্নীতি মামলায় এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হন। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক ব্যবসায়ীর নাম ইডির হাতে আসে। সেই সূত্রেই এদিনের তল্লাশি।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে নদিয়া থেকে ৭৬২ কিলো কালোবাজারির আটা উদ্ধারকে কেন্দ্র করেই রেশনে দুর্নীতির তথ্য পুলিশের হাতে আসে। প্রথমে নদিয়ার তিনটি থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। পরবর্তীতে অভিযোগ ওঠে, রেশনের ২০ থেকে ৪০ শতাংশ গম সরিয়ে ফেলে তা সরকারি ছাপ দিয়েই কালোবাজারিতে বিপুল টাকায় বিক্রি করা হত। এর তদন্তভার পায় ইডি। তারপরই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বাকিবুর রহমান, শংকর আঢ্য-সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
