বড়সড় বিপদ থেকে রক্ষা। প্রায় ঘণ্টাদেড়েক মাঝ আকাশে চক্কর কাটার পর অবশেষে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিমান। প্রবল বৃষ্টি এবং দমকা ঝোড়ো হাওয়ার ফলে মুখ্যমন্ত্রীর বিমান অবতরণে দেরি হয়। জানা গিয়েছে, নদিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপর দিয়ে চক্কর কাটে বিমানটি। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ১৮ মিনিট নাগাদ দমদম বিমানবন্দরে নামে মমতার বিমান। এদিন পাণ্ডবেশ্বর এবং দুবরাজপুরে জনসভা ছিল তাঁর। সেই সভা শেষে অন্ডাল বিমানবন্দর হয়ে দমদমে ফিরছিলেন তিনি। ফিরতি পথে ভোগান্তি।
ঝড়বৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড দমদম বিমানবন্দরে চত্বর। নিজস্ব চিত্র
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টে ৩৯ মিনিট নাগাদ অন্ডাল থেকে বিমানে চড়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছনোর ঠিক আগেই ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে মাঝ আকাশে চক্কর কাটে বিমানটি। বিকেল ৫টা ১৮ মিনিটে দমদম বিমানবন্দরে নামে বিমানটি।
জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টে ৩৯ মিনিট নাগাদ অন্ডাল থেকে বিমানে চড়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৩টে ৫৫ মিনিটে দমদম বিমানবন্দরে বিমানটির নামার কথা ছিল। কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছনোর ঠিক আগেই ঝড়বৃষ্টি শুরু হয় বলেই খবর। ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় দমদম বিমানবন্দর চত্বর। খারাপ আবহাওয়ার জেরে প্রায় দেড়ঘণ্টা ধরে মাঝ আকাশে চক্কর কাটে বিমানটি। অবশেষে বিকেল ৫টা ১৮ মিনিটে দমদম বিমানবন্দরে নামে বিমানটি।
বলে রাখা ভালো, বৃহস্পতিবার বিক্ষিপ্তভাবে দু-এক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা আগেই জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কবার্তাকে সত্যি করে বৃহস্পতিবার দুপুরের দিক থেকে দমদম, নিউটাউন, সল্টলেক, মধ্যমগ্রামে ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়। শুক্রবারও দক্ষিণবঙ্গের পাঁচ জেলায় ঝড়বৃষ্টির সঙ্গে কালবৈশাখীর সতর্কতা রয়েছে। শনিবারও বৃষ্টি চলবে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পশ্চিম বর্ধমানের কিছু অংশে। ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা। কলকাতা-সহ বাকি জেলায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। রবিবার বিকেলের পর ধীরে ধীরে বদলাতে পারে আবহাওয়া।
