এর আগে দোলপূর্ণিমায় 'হাইভোল্টেজ' ভবানীপুরে শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। যদিও সেই সময় প্রার্থী হিসাবে তাঁর নাম ঘোষণা করেনি বিজেপি। কিন্তু এবার তিনি ভবানীপুরে প্রার্থী। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে এই কেন্দ্রের দিকে এবার যে রাজ্যের মানুষের নজর থাকবে তা কার্যত স্পষ্ট! আর এই রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে রামকে হাতিয়ার করেই ভবানীপুরে প্রচারে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সাতসকালে গেরুয়া পাগড়ি পরে মিছিল করলেন তিনি। আর এই মিছিল চলাকালীন কখনও মন্দিরে পুজো দিলেন তো আবার কখনও মানুষের সঙ্গে সংযোগ সারলেন ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী। যদিও এদিনের প্রচারকে কোনওভাবেই গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল। যা নিয়ে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। বলেন, ''শুভেন্দু হনুমানের মতো এদিক-ওদিক লাফাচ্ছে।'' রাম নবমীতে কোথাও কোনও অশান্তি হয় না। সবটাই বিজেপির তৈরি বলেও তোপ বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতার।
রামনবমী (Ram Navami) উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজ্যের একাধিক জায়গায় মিছিল বের হতে শুরু করেছে। একাধিক কর্মসূচিতেও বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু সকালেই ভবানীপুরের কর্মসূচিতে যোগ দেন তিনি। আর সেই সভা থেকেই বাংলায় রাম রাজ্যের প্রতিষ্ঠা হবে বলে মন্তব্য করেন। শুভেন্দু বলেন, “বাংলায় এবার রাম রাজ্যের প্রতিষ্ঠা হবে। হাতে কাজ, পেটে ভাত, মাথায় ছাদ। মেয়েদের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।'' বিরোধী দলনেতার এহেন মন্তব্যে স্পষ্ট, হিন্দু ভোটের মেরুকরণ করাই তাঁর লক্ষ্য।
যদিও এদিন কলকাতায় নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও তাঁর 'ঘর' ভবানীপুর আগলে রেখেছেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। যদিও ইতিমধ্যে ভবানীপুরে কর্মিসভা করেছেন 'ঘরের মেয়ে' মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, ভবানীপুরে জয়ের টার্গেট বেঁধে দিয়েছেন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি বলেন, “কলকাতার মধ্যে ফার্স্ট হতে হবে ভবানীপুরকে। ৬০ হাজারের বেশি ভোটে জিততে হবে।”
