সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজে 'লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি'র কারণে শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে সমাজের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিকে। সেই তালিকায় রয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ নবতিপর অমর্ত্য সেন, বিশিষ্ট কবি জয় গোস্বামী, বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার মহম্মদ শামি, টলিউড সুপারস্টার দেব ওরফে দীপক অধিকারীরা। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপে তাঁদের অযথা হেনস্তা হচ্ছে, এই অভিযোগ তুলে এবং এর প্রতিবাদ জানিয়ে শনিবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পালটায় রবিবার চিঠি পাঠালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
জ্ঞানেশ কুমারকে লেখা চিঠিতে শুভেন্দু অধিকারীর সাফ বক্তব্য, বহু মানুষ 'লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি'র কারণে শুনানির নোটিস পেয়েছেন। সমাজের বিশিষ্টরা ব্যতিক্রম নন। তাঁদেরও আর পাঁচজনের মতো নোটিস পাঠানো হয়েছে, এটা আইনের বিষয়। এনিয়ে আপত্তির কোনও কারণ নেই।
তিন পাতার চিঠিতে শুভেন্দুর আরও বক্তব্য, এসআইআর নিয়ে কমিশনের পদক্ষেপ যথাযথ এবং নিরপেক্ষ। প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত করা কমিশনের লক্ষ্য। এর মধ্যে কোনও পক্ষপাতিত্ব নেই। এ প্রসঙ্গে তাঁর আরও অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অভিযোগ ঔদ্ধত্যপূর্ণ। নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশে এসব আপত্তি।
তিন পাতার চিঠিতে শুভেন্দুর আরও বক্তব্য, এসআইআর নিয়ে কমিশনের পদক্ষেপ যথাযথ এবং নিরপেক্ষ। প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত করা কমিশনের লক্ষ্য। এর মধ্যে কোনও পক্ষপাতিত্ব নেই। এ প্রসঙ্গে তাঁর আরও অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অভিযোগ ঔদ্ধত্যপূর্ণ। নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশে এসব আপত্তি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠির নির্যাস থেকে তাঁর এটাই বক্তব্য, এসআইআর প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ ঘেঁটে দেওয়াই তাঁর লক্ষ্য। মুখ্য নির্বাচনী কমিশনারকে চিঠিতে শুভেন্দুর আবেদন, পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে এসআইআর চলছে, তেমন চলুক, কারও কোনও আপত্তিতে কমিশন যেন কর্ণপাত না করে, তাও উল্লেখ করেছেন তিনি।
