বিজেপির সভাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠল বেহালা। যা নিয়ে স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলরের অফিসে ভাঙচুর চালান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। পাল্টা বিজেপির সভামঞ্চে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবিবার বেহালা সখেরবাজার এলাকা একেবারে রণক্ষেত্রের আকার নেয়। যার জেরে ডায়মন্ড হারবার রোডে সাময়িক সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন তৃণমূলের দুই বিধায়ক দেবাশিস কুমার ও রত্না চট্টোপাধ্যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বিশাল পুলিশবাহিনী এবং র্যাফ।
আজ রবিবার বিজেপির সভা ছিল। কেন্দ্রীয় নেতা বিপ্লব দেব ওই সভায় আসার কথা ছিল। কিন্তু সেই সভা শুরু হওয়ার আগেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রে খবর, সভার জন্য এলাকায় দলীয় পতাকা লাগানো হচ্ছিল। তা লাগানোকে কেন্দ্র করে অশান্তির শুরু। দলীয় পতাকা লাগাতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এই নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। সভামঞ্চের কাছে ছিল তৃণমূল কাউন্সিলর সুদীপ পোল্লের অফিস। বিজেপির লোকজন গিয়ে তৃণমূল কাউন্সিলরের অফিসে ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ। এরপরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা।
বিজেপির অভিযোগ, দলীয় পতাকা লাগানো নিয়ে বিজেপি কর্মীদের আগে মারধর করে তৃণমূল। এরপর মঞ্চে বিপ্লব দেব বক্তব্য রাখার পর বিজেপির সভামঞ্চে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল জড়িত বলেই অভিযোগ বিজেপির। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ ও দমকলের একটি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীদের বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। যদিও বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায় বলেন, ঝামেলার সূত্রপাত বিজেপি করেছে। চক্রান্ত করে ওরা এসব করছে। ওরাই আমাদের পার্টি অফিস ভাঙচুর করে। দেবাশিস কুমার বলেন, “বাংলায় গণতন্ত্র রয়েছে বলেই তো মঞ্চ বাঁধতে পেরেছিলেন। এসআইআর যে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে বাঙালি তা বুঝতে পেরেছে। তাই সুপরিকল্পিতভাবে বিজেপি এসব করেছে।”
