আনন্দপুর কাণ্ডের পর পেরিয়েছে তিনদিন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬। এই পরিস্থিতিতে বুধবার অগ্নিকাণ্ড ও কর্মীদের মৃত্যু নিয়ে মুখ খুলল ওয়াও মোমো (Wow Momo)। এদিন সংস্থার তরফে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। সেখানেই জানানো হয়েছে, মোট ৩ কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের পরিবার পিছু দেওয়া হবে ১০ লক্ষ টাকা। এছাড়া আজীবন মৃতদের পরিবারের সদস্যরা মাসোহারা পাবেন। মৃতদের সন্তানদের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিচ্ছে সংস্থা। পাশাপাশি গোটা ঘটনার দায় পাশের গুদামের উপরই চাপিয়েছে সংস্থা।
রবিবার রাতেও আনন্দপুরের নাজিরাবাদে ছিল কারখানা, গুদাম। প্রতিমুহূর্তে কর্মীদের আনাগোনা লেগেই থাকত। লেলিহান শিখা নিমেষে বদলে দিয়েছে সেই চির পরিচিত ছবি। এখন সেখানে শুধুই ধ্বংসস্তূপ। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার ৬০ ঘণ্টা পর এবিষয়ে বিবৃতি দিল ওয়াও মোমো। এদিন সোশাল মিডিয়া পোস্টে সংস্থার তরফে দায় চাপানো হয়েছে পাশের গুদামের উপর। বলা হয়েছে, পাশের গুদামে অননুমোদিতভাবে রান্না চলছিল গুদামে। সেখান থেকেই আগুন লাগে। যা ছড়িয়ে যায় ওয়াও গুদামে। সেই বিবৃতিতেই সংস্থার তরফে লেখা হয়েছে, 'আমাদের পাশের গুদাম থেকে ২৬ জানুয়ারি ভোর ৩টে নাগাদ আমাদের গুদামে আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল। আনন্দপুরে আমাদের একটি গুদাম সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। আমাদের দু’জন কর্মীর মৃত্যু এবং এক জন চুক্তিবদ্ধ নিরাপত্তারক্ষীর মৃত্যুতে আমরা শোকাহত।'
সেই বিবৃতিতে মৃতদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছে সংস্থা। তাঁদের জন্য বড় ঘোষণাও করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য দেবে সংস্থা। এছাড়া আজীবন মাসোহারা পাবে মৃতদের পরিবার। মৃতদের সন্তানদের লেখাপড়ার দায়িত্বও সংস্থার।
