এসআইআরে নাম বাদের প্রতিবাদে গত কয়েকদিন আগেই উত্তাল হয়ে ওঠে মালদহের কালিয়াচক। ঘণ্টার পর ঘন্টা আটকে রাখা হয় সাত বিচারক তথা জুডিশিয়াল অফিসারদের। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। তদন্তে নেমে ঘটনার সূত্রে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে এনআইএ। এর মধ্যে মালদহের জেলাশাসককে দেওয়া বিচারকদের একটি চিঠি সামনে এসেছে। যেখানে স্পষ্ট, মালদহে যে এমন ঘটনা ঘটতে পারে তা আগেই আঁচ পেয়েছিলেন বিচারকরা। আর সেই শঙ্কার কথা জানিয়ে আগেই জেলাশাসককে চিঠি দিয়েছিলেন বিচারকরা। কিন্তু এরপরেও কীভাবে এই ঘটনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
জেলাশাসককে লেখা চিঠিতে বিচারকরা জানিয়েছিলেন, কালিয়াচকের বিডিও অফিসের এলাকা রীতিমতো স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয় ওই চিঠিতে।
জেলাশাসককে লেখা চিঠিতে বিচারকরা জানিয়েছিলেন, কালিয়াচকের বিডিও অফিসের এলাকা রীতিমতো স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয় ওই চিঠিতে। শুধু তাই নয়, এসআইআর তালিকায় যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁরা হামলা চালাতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হয়। এই অবস্থায় নিরাপত্তার কথা ভেবে দেখে অফিস সরানোর বিষয়ে জেলাশাসকের কাছে চিঠিতে আবেদন জানানো হয়েছিল বলেও খবর। জানা যায়, গত মার্চ মাসের শেষে এই সংক্রান্ত চিঠি বিচারকরা জেলাশাসককে লিখেছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, বিচারকদের আশঙ্কার বিষয়টি জেলা প্রশাসন গুরুত্ব দেয়নি। যদিও এই ঘটনায় বৃহস্পতিবারই সুপ্রিম তোপের মুখে পড়তে হয়েছে জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারকে। এমনকী জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, মুখ্যসচিব এবং ডিজিপিকে শোকজও করেছে শীর্ষ আদালত।
এরমধ্যেই মোথাবাড়ি-কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে জনতাকে উসকানি দেওয়া, অশান্তি সংগঠিত করার অভিযোগ ওঠে। তারপর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। উত্তরবঙ্গের এডিজি কে জয়রামণ বলেন, “এই ঘটনায় ১৯টি মামলা দায়ের হয়েছে। গ্রেপ্তার ৩৫ জন। আমাদের কাছে খবর ছিল অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল বাগডোগরা বিমানবন্দরে আছেন। তারপরই গ্রেপ্তার করা হয়।” এদিকে ঘটনার বিস্তারিত জানতে আজ শনিবার ঘটনাস্থলে যান এনআইএ আধিকারিকরা। এমনকী ঘটনার বিস্তারিত জানতে জেলাশাসকের দপ্তরে গিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গেও কথা বলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।
