তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকায় আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। আগুন ছড়িয়ে পড়ে সংলগ্ন একটি বাড়ির পাইপে। যদিও বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পায় এলাকার বাড়িঘর। ভোটের (West Bengal Assembly Election) মুখে এই ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দুর্গাপুরের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের নেপালি পাড়া এলাকা। পতাকায় আগুন লাগানো-সহ তৃণমূলের ফ্লেক্স ব্লেড দিয়ে কেটে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। রাজ্যের শাসকদলের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে বিজেপির দুষ্কৃতীরা এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করে গেরুয়া শিবির বলছে, নিজেরাই পতাকা পুড়িয়ে বিজেপিকে বদনাম করছে তৃণমূল।
রাজ্যের শাসকদলের অভিযোগ, সোমবার গভীর রাতে এলাকার একটি বাড়িতে লাগানো তৃণমূলের দলীয় পতাকায় বিজেপির দুষ্কৃতীরা আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুন ছড়িয়ে পড়ে বাড়ির একটি পাইপেও। যদিও বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির বাসিন্দারা অল্পের জন্য রক্ষা পান। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
এই নিয়ে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। তিন নম্বর ব্লক তৃণমূল কিষান সেলের সভাপতি শেখ আজগর আলীর অভিযোগ, দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে পরাজয় নিশ্চিত বুঝে বিজেপি কর্মীরাই রাতের অন্ধকারে এই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে। গরিব মানুষের বাড়ির সামনে লাগানো পতাকায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর জন্য বড় কোনও ক্ষতি হতে পারত। সকলেরই পতাকা ফ্ল্যাগ লাগানোর অধিকার আছে।
অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী লক্ষণ চন্দ্র ঘোড়ুই পালটা অভিযোগ করেন, ভোটের (West Bengal Assembly Election) আগে মানুষকে বিভ্রান্ত করতেই তৃণমূল এই ধরনের নাটক সাজাচ্ছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। নিজেরাই পতাকা পুড়িয়ে বিজেপির বদনাম করছে তৃণমূল। বিজেপির এই সংস্কৃতি নেই।
