ভাঙড়ের আইএসএফ প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির (Nawsad Siddique) নির্বাচনী প্রচারকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত ভাঙড়। আইএফএফের পতাকা ছেঁড়ার পাশাপাশি কর্মীদের মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এরপরই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারির দাবিতে বাসন্তী রাজ্য সড়কের নলমুড়িতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে নওশাদ সিদ্দিকি। বিক্ষোভে সামিল হন ক্যানিং পূর্বের আইএসএফ প্রার্থী আরাবুল ইসলামও (Arabul Islam)। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ঘটনাস্থলে ভাঙড় থানার পুলিশের পাশাপাশি কলকাতা পুলিশের পদস্থ আধিকারিকেরা।
মঙ্গলবার সকাল থেকে ভাঙড় ১ নম্বর ব্লকের প্রাণগঞ্জ অঞ্চলে নির্বাচনী প্রচারে নামেন নওশাদ সিদ্দিকি। বিকেলে রাজাপুর বুথে প্রচার কর্মসূচির আগেই তৃণমূল এবং আইএসএফের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। আইএসএফের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের প্রচার ভণ্ডুল করতে এলাকায় বোমাবাজি করে। দলীয় পতাকা ছিঁড়ে দেয়। এমনমকী কয়েকজন কর্মীকে মারধরও করে বলে অভিযোগ। তৎক্ষণাৎ খবর যায় নওশাদের কাছে। আহত কর্মীদের দেখতে নলমুড়ি হসপিটালে ছুটে যায় নওশাদ সিদ্দিকি। সেখানে পরিস্থিতি দেখে পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বাসন্তী রাজ্য সড়ক অবরোধ করে রাস্তায় বসে পড়েন। অবরোধ তুলতে কলকাতা পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকেরা উপস্থিত হন।
নওশাদ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কতক্ষণের মধ্যে দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার করা হবে সেই বার্তা পুলিশ আধিকারিকেরা না দিলে অবরোধ তোলা হবে না। শেষমেশ পুলিশের পক্ষ থেকে রাত বারোটার মধ্যে গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে অবরোধ ওঠে। আবারও প্রচার শুরু করেন ভাঙড়ের আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকি। অপরদিকে তৃণমূল প্রার্থী শওকত মোল্লা দাবি করেছেন, "আইএসএফের কর্মী সমর্থকেরা বোমাবাজি করে এলাকা উত্তপ্ত করার চেষ্টা করেছে। ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা করছি।"
