প্রার্থী ঘোষণা হতেই বিক্ষোভ প্রকাশ্যে এল। অবিলম্বে প্রার্থীকে বদল করতে হবে, সেই দাবি তুলে বিজেপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা প্রকাশ্যে বিক্ষোভ দেখাতে থাকলেন। তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হল বিজেপির কার্যালয়ে। ভোটের আগে নদিয়ার কৃষ্ণনগরে এই ঘটনায় বিজেপির অন্দরেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। টাকা দিয়ে প্রার্থী ঠিক হয়েছে। সেই অভিযোগ তোলা হয়েছে। গতকাল, শনিবার রাতে বিজেপির তরফ থেকে রাজ্যের আরও পাঁচ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছিল। কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী তারকনাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনই শহরেরই বাসিন্দা। এদিকে তাঁর নাম ঘোষণা হতেই স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা গেল।
স্থানীয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা রাত থেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকে। জায়গায় জায়গায় বিক্ষোভও চলে। এদিন সকাল থেকে প্রকাশ্যে ক্ষোভ দেখা যায়। অভিযোগ, তারক চট্টোপাধ্যায় একাধিক দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে। কর্মীদের পাশেও তাঁকে সেভাবে পাওয়া যায় না। অভিযোগ, নির্বাচনের সময় অতীতে কর্মীরা সমস্যায় পড়লে তাঁর ডাক পড়লেও তিনি সাড়া দেননি। তারক সমস্যা থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ।
বিজেপির একাংশের অভিযোগ, তৃণমূলের থেকেও টাকা নিয়ে একাধিক সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তারক ওই কেন্দ্রে প্রার্থী হলে তৃণমূলেরই সুবিধা হবে। লড়াইতে বিজেপি আসনটি নিজেদের দিকে আনতে পারবে না। অবিলম্বে তারক চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থীপদ থেকে সরাতে হবে। এই দাবি তোলা হয়েছে। এদিন কার্যালয়ের দরজায় বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ চলতে থাকে। বিক্ষোভকারী বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের দাবি, জেলা সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস মুখোমুখি বসে আলোচনা না করলে তালা খোলা হবে না। এই আন্দোলনই চালিয়ে যাওয়া হবে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, তারককে প্রার্থী করার মানে ওই কেন্দ্রে তৃণমূলকেই সাহায্য করা। যদিও জেলা বিজেপি নেতৃত্ব প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন, দল যাকে প্রার্থী করবে, তাঁর হয়েই প্রচারে নামতে হবে। প্রার্থী তারকনাথ চট্টোপাধ্যায় এই বিষয়ে কোনও কথা বলতে রাজি হননি।
