৭৪ জন বর্তমান বিধায়ক প্রার্থী তালিকায় স্থান পাননি। সেই তালিকায় নাম রয়েছে জঙ্গিপুরের বিধায়ক মনিরুল ইসলামের। তারপরই কার্যত বিদ্রোহ ঘোষণা করলেন তিনি। প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য, "বলির পাঁঠা করা হল।" তৃণমূল ছেড়ে প্রার্থী হওয়ার কথাও বলেছেন তিনি। তবে কোনও দলে যোগ দেবেন না কি, নির্দল প্রার্থী হিসাবে ভোটের ময়দানে নামবেন তা নিয়ে মুখ খোলেননি তিনি।
মনিরুলের জায়গায় ফরাক্কায় প্রার্থী করা হয়েছে সামশেরগঞ্জের বিদায়ী বিধায়ক আমিরুল ইসলামকে। তারপরই মনিরুলের ইসলামের দাবি, ফরাক্কা বিডিও অফিসে এসআইআর ইস্যুতে প্রতিবাদ জানানোয় তাঁকে ‘বলির পাঁঠা’ করা হয়েছে। মঙ্গলবার ফরাক্কা এমএলএ ভবন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মনিরুল ইসলাম বলেন, "সাধারণ মানুষের স্বার্থে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সরব হওয়াতেই ফরাক্কার বিধানসভা কেন্দ্র থেকে দলীয় টিকিট দেওয়া হয়নি। আমাকে বলির পাঁঠা করা হল।"
তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পরই নির্বাচনে লড়াই করার কথা জানিয়েছেন তিনি। তবে তিনি কোন রাজনৈতিক দলের হয়ে নির্বাচনী ময়দানে নামবেন, সেই বিষয়ে এখনও নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত জানাননি। ফলে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। মনিরুল ইসলাম টিকিট না পেলেও তাঁর দাদা কাওসার আলিকে সামশেরগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে শাসকদল।
