২ রা মে ২০২১। বঙ্গবাসীর কাছে দিনটির স্মৃতি এখনও টাটকা। গোটা বাংলার নজর ছিল নন্দীগ্রামের দিকে। কারণ সেখানে মুখোমুখি লড়াইয়ে নেমেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। গণনায় এগিয়ে যাচ্ছিলেন মমতা। আচমকা লোডশেডিংয়ে বদলে গিয়েছিল ছবিটা। তারপরই কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল বিজেপি তথা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। জল গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। ছাব্বিশের নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) সম্ভবত ফের মুখোমুখি লড়াইয়ে নামতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী। এবার আসন 'দিদি'র গড় ভবানীপুর। যদিও তৃণমূল প্রার্থী তালিকা এখনও প্রকাশ করেনি। বিজেপি ভবানীপুর আসনে প্রার্থী হিসেবে শুভেন্দুর নাম ঘোষণা করতেই ধেয়ে আসছে কটাক্ষ। খোঁচা দিতে ছাড়লেন না প্রাক্তন বাম নেতা তথা সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রতীক উর রহমানও (Pratik Ur Rahaman)। লোডশেডিং প্রসঙ্গ মনে করিয়ে লিখলেন, "যতই করো সেটিং, হবে না লোডশেডিং।"
কলেজ জীবন থেকে বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন প্রতীক উর রহমান। দলের যে আস্থাভাজন ছিলেন, তা বলাই বাহুল্য। একাধিক নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করেছিল দল। রাজ্য ও জেলা কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। কিন্তু ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আচমকা দল বদলেছেন তিনি। একদা 'শত্রু শিবির' বলে দাগানো তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন তিনি। দল বদলালেও ঝাঁজ বদলায়নি ডায়মন্ড হারবারের প্রতীক উরের। ধর্মতলার ধরনামঞ্চ থেকে কমিশন-বিজেপিকে আক্রমণ করেছেন তিনি। সুযোগ পেলেই বিঁধেছেন বামেদেরও। সোমবার বিজেপি প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতেই চেনা ফর্মে প্রতীক উর।
সোশাল মিডিয়া পোস্টে একুশে নন্দীগ্রামের ভোট গণনার কথা মনে করিয়ে দিলেন প্রতীক উর। তিনি লেখেন, 'নন্দীগ্রামে ১৯৫৬ ভোটে লোডশেডিং বাবুকে, আলো দেখানোর কত চেষ্টা চলছে। যতই করো সেটিং, হবে না লোডশেডিং। পরবর্তী অংশ. ...
