দূরে সরিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। গুরুত্ব দেয়নি বিজেপিও। এই পরিস্থিতিতে ছাব্বিশের নির্বাচনের (Assembly Elections 2026) আগে নিজের দল ঘোষণা করলেন রাজন্যা হালদার (Rajanya Haldar)। বৃহস্পতিবার বিকেলে কলকাতার প্রেসক্লাব থেকে নিজের দল ‘জনসংগ্রাম মঞ্চে’র কথা জানান তিনি। একই সঙ্গে জানিয়ে দিলেন কোন কোন আসনে লড়বেন তিনি।
ছবি: সোশাল মিডিয়া।
একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে ঝাঁজালো মন্তব্য রেখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নজর কেড়েছিলেন রাজন্যা হালদার। খুব অল্প সময়েই জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিনি। তৃণমূল তাঁকে দায়িত্ব দিয়েছিল। এরপর আর জি কর কাণ্ডের সময় একটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি তৈরি করে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন রাজন্যা। ঠিক যতটা দ্রত তাঁর উত্থান, সেভাবেই হারিয়ে যান রাজনীতি থেকে। তৃণমূল তাঁকে সরিয়ে দেয়। বারবার বিভিন্ন ইস্যুতে মুখ খুলে, আত্মপক্ষ সমর্থন করে প্রাসঙ্গিক হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। পরবর্তীতে শোনা গিয়েছিল বিজেপিতে যোগ দেবেন রাজন্যা (Rajanya Haldar)। বঙ্গ বিজেপির একাধিক নেতার সঙ্গে কথাও হয়েছিল তাঁর। নিজের ফেসবুকে ইঙ্গিতবাহী পোস্টও করেছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিজেপিও গুরুত্ব দেয়নি এই তরুণ তুর্কিকে।
ছবি: সোশাল মিডিয়া।
কিন্তু পিছু হটতে রাজি নন রাজন্যা। ছাব্বিশে ভোটের লড়াইয়ে শামিল হবেন বলে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ তিনি। সেই লক্ষ্যেই বৃস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে নিজের আলাদা দল ‘জনসংগ্রাম মঞ্চ’র কথা জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, জোড়া আসনে লড়বেন তিনি। তার মধ্যে একটি সোনারপুর দক্ষিণ। অর্থাৎ তৃণমূলের লাভলি মৈত্রের বিরুদ্ধে লড়বেন রাজন্যা।
এদিন রাজন্যা বলেন, "ভোটের ময়দানে থাকব। ২০২৬ আমাদের কাছে বিন্দু, সিন্ধু তৈরি করতে পারব না, সরকার বদলাতে পারব না। হারি কি জিতি সেটা পরের কথা, লড়াইয়ের ময়দান থেকে সরব না।" ইতিমধ্যেই 'জনসংগ্রাম মঞ্চ'র ইস্তেহার প্রকাশ করেন রাজন্যা। সেখানে কর্মসংস্থান, চাকরি সংকট, মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা, নারী সুরক্ষা-সহ একাধিক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।
