প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত, পুলিশের খাতায় ফেরার সেই সিন্টু সেনাপতিকেই বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) প্রার্থী করে প্রশ্নের মুখে পড়ল বিজেপি। সোমবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক, খেজুরি, এগরা, ভগবানপুর, নন্দকুমার ও চণ্ডীপুর বাদে ১২টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বিজেপি। পাঁশকুড়া বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সিন্টু সেনাপতিকে (Sintu Senapati)। যাতে হতাশা তৈরি হয়েছে বিজেপির নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে। প্রসঙ্গত, এই সিন্টুর বিরুদ্ধে দলেরই বর্ষীয়ান নেতা প্রায় ৯১ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ আনেন। যা নিয়ে বিজেপির অন্দরে শোরগোল পড়েছিল। এ বিষয়ে পাঁশকুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকে গা ঢাকা দেন সিন্টু।
এদিকে, শনিবার ব্রিগেডে বিজেপির সভামঞ্চে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে এক ফ্রেমে দেখা যায় এই সিন্টুকেই। তারপরই জল্পনা শুরু হয়। এদিন সেই সিন্টুকে পশ্চিম পাঁশকুড়া কেন্দ্রে প্রার্থী করায় দলের অন্দরে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অন্যদিকে, রামনগর কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছে চন্দ্রশেখর মণ্ডলকে। যিনি কাঁথি সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক। পাশাপাশি রামনগর রাও হাইস্কুলের শিক্ষক। শিক্ষক হিসাবে এলাকায় সুখ্যাতি থাকলেও বিধানসভা ভোটের লড়াই এই প্রথম। যদিও তিনি কাঁথি ৩ ব্লক থেকে একবার জেলা পরিষদ সদস্য হয়েছিলেন। পরবর্তীকালে কাঁথি দেশপ্রাণ ব্লক থেকে জেলা পরিষদের আসনে পরাজিত হন।
পটাশপুর কেন্দ্রের প্রার্থী করা হয়েছে তপন মাইতিকে। যিনি প্রাক্তন সেনা কর্মী। পাশাপাশি একসময় জেলা বিজেপির সভাপতিও ছিলেন। এখন রাজ্য কমিটিতে রয়েছেন। তবে বিধানসভায় ভোটে লড়ার অভিজ্ঞতা নেই বললেই চলে। ময়নায় অশোক দিন্দা, কাঁথি দক্ষিণে অরূপকুমার দাস, এবং কাঁথি উত্তর কেন্দ্রে সুমিতা সিনহার উপরে দ্বিতীয়বারের জন্য আস্থা রেখেছে গেরুয়া শিবির। এদিকে, হলদিয়ায় প্রার্থী করা হয়েছে প্রদীপকুমার বিজলীকে। মহিষাদলের প্রার্থী শুভাশিস পাঁজা, পূর্ব পাঁশকুড়ায় প্রার্থী সুব্রত মাইতির নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
