ভবানীপুরের ভোটযুদ্ধ আরও জমজমাট। বিরোধী দলনেতা এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হয়ে লড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। ফলে এমনিতেই কেন্দ্র সবচেয়ে হাইভোল্টেজ, সন্দেহ নেই। নির্বাচনে একাধিক ইস্যু রয়েছে। তার মাঝে ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠল 'খলিস্তান' মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক। বছর দুই আগে এক শিখ পুলিশ আধিকারিকের উদ্দেশে 'খলিস্তান' বলেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার জেরে ভবানীপুরে প্রচারে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। শনিবার তিনি প্রচারে গিয়ে শিখ সম্প্রদায়ের কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়ে নিলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।
ঘটনার সূত্রপাত ২০২৪ সালে। নারী নির্যাতনের অভিযোগে উত্তপ্ত সন্দেশখালিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি ছিল রাজ্য বিজেপির। সেখানে যাওয়ার পথে বাধা পান শুভেন্দু অধিকারী-সহ রাজ্য বিজেপির নেতারা। পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। অভিযোগ, এসময় শিখ সম্প্রদায়ের পুলিশ অফিসার যশপ্রীত সিংয়ের উদ্দেশে শুভেন্দু অধিকারী 'খলিস্তান' বলে মন্তব্য করেন। এনিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে অশান্তির জল গড়িয়েছিল বহু দূর।
ঘটনার সূত্রপাত ২০২৪ সালে। নারী নির্যাতনের অভিযোগে উত্তপ্ত সন্দেশখালিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি ছিল রাজ্য বিজেপির। সেখানে যাওয়ার পথে বাধা পান শুভেন্দু অধিকারী-সহ রাজ্য বিজেপির নেতারা। পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। অভিযোগ, এসময় শিখ সম্প্রদায়ের পুলিশ অফিসার যশপ্রীত সিংয়ের উদ্দেশে শুভেন্দু অধিকারী 'খলিস্তান' বলে মন্তব্য করেন। এনিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে অশান্তির জল গড়িয়েছিল বহু দূর। শিখ সম্প্রদায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন। মুখ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠিতে তারা দাবি জানান, এই মন্তব্যের জন্য শুভেন্দু অধিকারীকে ক্ষমা চাইতে হবে। কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব পর্যন্ত এনিয়ে নড়েচড়ে বসে। যদিও শুভেন্দু বারবার দাবি করেছেন, তিনি 'খলিস্তানি' কথাটি বলেননি।
এবার ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে সেই ইস্যু ফের উসকে উঠল। শুভেন্দু ভবানীপুরের প্রার্থী হওয়ার পর পুরনো বিতর্ক কাঁটার মতো বিঁধছে তাঁকে। ভবানীপুর মিশ্র জনবসতি এলাকা। এখানে মাড়োয়ারি, শিখ, জৈন সম্প্রদায়ের বাসিন্দা বহু। গত দিন দুই ধরে তাঁরা শুভেন্দুকে দেখলেই 'খলিস্তান' মন্তব্যের কথা মনে করিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার মনোনয়ন পেশ করতে যাওয়ার সময়েও এই বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন তিনি। তবে শনিবার প্রচারে গিয়ে এনিয়ে করজোড়ে ক্ষমা চেয়ে নিলেন বিজেপি প্রার্থী। কিন্তু তাতে কি শিখদের মন গলানো সম্ভব হবে? ভোটবাক্সে টানতে পারবেন তাঁদের সমর্থন? সে প্রশ্ন থাকছেই।
