ভোটের প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে বাংলায়। শাসক-বিরোধী প্রার্থীরা ভোটের ময়দানে নেমে পড়েছেন। সেই আবহে জনসংযোগ বাড়াতে প্রচারে নেমে পড়েছেন পুরশুড়ার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী পার্থ হাজারি। এলাকায় প্রচারে বেরিয়ে এক গৃহস্থের হেঁসেলে পৌঁছে গেলেন। শুধু তাই নয়, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পরে রুটি বেলতেও দেখা গেল তাঁকে। ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়। তবে এমন ঘটনা নতুন নয়, এবার তৃণমূল প্রার্থী নির্মল মাজিকে প্রচারে বেরিয়ে গৃহস্থের উঠোনে বসে খুন্তি নাড়তে দেখা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, দুবরাজপুরের বিজেপি প্রার্থী অনুপকুমার সাহাকে ভোটারের দাঁড়ি কাটতেও দেখা গিয়েছে। গতকাল, শনিবার হাওড়ার শ্যামপুরে প্রচারে গিয়ে বিজেপি প্রার্থী হিরণও এক সাধারণ মানুষের দাড়ি কামিয়ে দিয়েছিলেন।
বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ প্রকাশের পর থেকেই প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। এবার হুগলির পুরশুড়া কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন পার্থ হাজারি। সভা-সমিতির পাশাপাশি ডোর টু ডোর ক্যাম্পেনলো চলছে একযোগে। শনিবার পুরশুড়া ২ অঞ্চলের পালপাড়া এলাকায় প্রচারে গিয়ে এক গৃহস্থের বাড়িতে যান তিনি। যুদ্ধ আবহে গ্যাসের সংকটের কারণে ওই পরিবারের বধূ কাঠের চুল্লিতে রুটি সেঁকছিলেন। সেই দেখেই থমকে যান তৃণমূল প্রার্থী। সটান রুটি বানাতে হান লাগান তিনিও। ঘটনায় অন্যান্যরাও হতচকিত হয়ে গিয়েছিলেন। বেলন নিয়ে নিজেই রুটি বেলতে থাকেন পার্থ হাজারি।
গৃহস্থের হেঁসেলে তৃণমূল প্রার্থী। নিজস্ব চিত্র
কিন্তু এই আচরণ কি প্রচারে নির্বাচনী স্টান্ট? সেই প্রশ্ন উঠেছে। এই প্রসঙ্গে প্রার্থী বলেন, "আগেও আমি রুটি বানিয়েছি। কিছুটা অভিজ্ঞতা আছে। এখন গ্যাস নেই বলে অনেকেই সমস্যায় পড়ছেন। তাই প্রচারে বেরিয়ে একটু হাত লাগালাম। যদি মানুষের কিছু উপকারে আসতে পারি।" তাঁর এই ব্যবহারে মুগ্ধ ওই পরিবারের সদস্যরা। কেবল রুটি বেলাই নয়, ওই এলাকার বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রবীণদের আশীর্বাদও নেন তিনি। তাঁকে ভোট দেওয়ার আবেদনও করেন।
