shono
Advertisement
West Bengal Assembly Election

কোন শর্তে পুরনো প্রার্থীদের টিকিট দেয় তৃণমূল? অসিত-বিতর্কের মাঝেই ব্যাখ্যা রচনার

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে চুঁচুড়া থেকে টিকিট পাননি তৃণমূলের বিদায়ী বিধায়ক অসিত মজুমদার। এই কেন্দ্রে দেবাংশু ভট্টাচার্যের উপর আস্থা রেখেছে দল।
Published By: Monishankar ChoudhuryPosted: 08:31 PM Mar 20, 2026Updated: 08:31 PM Mar 20, 2026

বিদায়ী বিধায়ককে ফের টিকিট দেওয়ার সময় তাঁর গুডউইল-সহ বেশ কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করে দেখে তৃণমূল কংগ্রেস। অসিত-বিতর্কের মাঝে এমনই মন্তব্য করলেন হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কোনও কেন্দ্রে নতুন প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু কোনও কেন্দ্রে আগের প্রার্থীকে পুনরায় টিকিট দেওয়ার আগে কয়েকটি বিষয় দেখে নেয় দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। পুরনো প্রার্থীর গুডউইল, মানুষের তাঁর প্রতি আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসার উপর নির্ভর করে তাঁকে টিকিট দেওয়া হয়। টিকিট দেওয়ার আগে এই সব বিষয়ে সমীক্ষা করেও দেখা হয়। সেই সমীক্ষায় জয়ী হতে পারলেই পুরনো প্রার্থীকে ফের টিকিট দেয় দল।

Advertisement

তিনি বলেন, মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন। এই বিষয়ে অন্য কারও ভূমিকা বিশেষ থাকে না। যদিও রচনা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে কথা বলার বা চিন্তা করার সময় এখন নেই।

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে চুঁচুড়া থেকে টিকিট পাননি তৃণমূলের বিদায়ী বিধায়ক অসিত মজুমদার। এই কেন্দ্রে দেবাংশু ভট্টাচার্যের উপর আস্থা রেখেছে দল। প্রার্থী ঘোষণার পরেই টিকিট না পেয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন অসিত। রাজনীতি থেকে সন্ন্যাসও নিতে চেয়েছিলেন তিনি। যদিও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ফোনে কথা হওয়ার পর মানভঞ্জন হয় তাঁর। দেবাংশুও বিদায়ী বিধায়কের বাড়ি গিয়ে তাঁর আশীর্বাদ নিয়ে এসেছেন। এরপরই নতুন প্রার্থীর পাশে থাকার আশ্বাস দেন অসিত। এই পরিস্থিতিতে পুরনো প্রার্থীকে টিকিট না দেওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা শোনা গেল রচনার মুখে। যদিও এই ব্যাখ্যার সময় তিনি অসিত মজুমদারের নাম উল্লেখ করেননি। পরে সাংবাদিকরা বিদায়ী বিধায়কের প্রসঙ্গ টানলে তিনি বলেন, মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন। এই বিষয়ে অন্য কারও ভূমিকা বিশেষ থাকে না। যদিও রচনা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে কথা বলার বা চিন্তা করার সময় এখন নেই। মমতা ও অভিষেকের হাত শক্ত করাই বর্তমানে সকলের লক্ষ্য হওয়া উচিত।

উল্লেখ্য, অসিত ও রচনার মধ্যে দূরত্ব নতুন নয়। গত লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকেই এই নিয়ে চর্চা শুরু হয়। লোকসভা নির্বাচনে হুগলির তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় চুঁচুড়া বিধানসভা এলাকা থেকে পিছিয়ে ছিলেন। এর কারণ হিসেবে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব উঠে এসেছিল। এই পরিস্থিতিতে বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে রচনার এরকম মন্তব্য নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। যদিও তারকা সাংসদ স্পষ্ট করে দিয়েছেন, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে ভাবার সময় নেই, দেবাংশুকে জেতানোই বর্তমানে দলের একমাত্র উদ্দেশ্য।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement