রাস্তা একসময় তৈরি হলেও এখন সেসব ভেঙে গিয়েছে। পানীয় জলের সমস্যা দীর্ঘদিনের। পানীয় জল না থাকায় আইসিডিএস কেন্দ্রের খাবার তৈরি হয় না বলে অভিযোগ। নির্বাচনের আগে ভোট (West Bengal Assembly Election) চাইতে প্রার্থী, কর্মীরা হাজির হন। দেওয়া হয় একাধিক প্রতিশ্রুতিও। ভোট মিটলে তাঁদের আর দেখা যায় না। গ্রামের মানুষজন যে তিমিরে ছিলেন, সেখানেই থেকে যান। এবারও সেই একই অবস্থা। সেজন্যই এবার ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছেন গ্রামের বাসিন্দারা। বাঁকুড়ার রানিবাঁধ বিধানসভা এলাকার চার গ্রামের বাসিন্দাদের সমবেত সিদ্ধান্তে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
অনুন্নয়নকে হাতিয়ার করেই উন্নয়নের দাবিতে ভোট বয়কটের ডাক দিলেন এই ব্লকের চালতা, জুবি, বাগদিহা ডুমুরডাঙা গ্রামের মানুষজন। বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকায় রাস্তাঘাট ভেঙেচুরে রয়েছে অনেক দিন ধরে। পানীয় জলের অভাবও রয়েছে। ওই এলাকার বিধায়ক রাজ্যের আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডি। অভিযোগ, তিনি নির্বাচনের আগে ভোট প্রচারে গিয়েছিলেন। তারপর আর দেখা পাওয়া যায়নি। এবার ওই কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থী তনুশ্রী হাঁসদা। তিনিও ভোটের প্রচার করে গিয়েছেন। কিন্তু তাঁদের এই অন্ধকার কি ঘুচবে? জানা নেই সাধারণ বাসিন্দাদের। গ্রামবাসীদের প্রশ্ন, "আমরা কি এভাবেই থাকব? কতদিন আর কতদিন পানীয় জলের সমস্যা, অনুন্নয়ন থাকবে?"
এ বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তনুশ্রী হাঁসদা বলেন, "দিদি তো প্রচুর উন্নয়ন করছেন। ওইসব গ্রামগুলিতে রাস্তাঘাট তৈরি হয়েছিল। তারপর আর হয়তো সেভাবে সংস্কার হয়নি। পানীয় জলের জন্য নলকূপ বসানো হয়েছিল। সেগুলি হয়তো নষ্ট হয়েছে দেখভালের অভাবে। শীঘ্রই কাজ শুরু হবে আশা রাখি।" তিনি বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলবেন। বিজেপি প্রার্থী ক্ষুদিরাম টুডু বলেন, "জঙ্গলের ভেতরের গ্রামগুলোতে ঢুকলেই দেখা যায় উন্নয়নের নামে ছেলেখেলা হয়েছে। অনুন্নয়নের ছবিটা স্পষ্ট।"
