Advertisement

সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেদনেই তুড়ন্ত সমাধান, স্কুলছাত্রের সুবিধায় বদলে গেল বাসের সময়সূচি!

06:33 PM Jan 10, 2021 |

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ছাত্রের আবেদন। আর সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে বদলে গেল সরকারি বাস ছাড়ার সময়! যে বাস আগে ছাড়ত সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে, তা এবার থেকে ছাড়বে সকাল সাতটায়। ভারতের মতো দেশে যেখানে সরকারি কাজ সময়মতো না হওয়ার ভুরিভুরি অভিযোগ সামনে আসে, সেখানেই বাসের সময়সূচি বদলে যাওয়া তো বিরলের মধ্যে বিরলতম ঘটনা প্রায়। তাজ্জব সকলেই।

Advertisement

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

জানা গিয়েছে, ওড়িশার (Odisha) এক ছাত্রের আবেদনে সে রাজ্যের পরিবহণ দপ্তর তাঁদের বাসের সময়ই বদলে দিয়েছে। ওই ছাত্র নিজের সমস্যার কথা টুইট করতেই ব্যবস্থা নেয় ওড়িশা পরিবহণ দপ্তর। দপ্তরের তরফ থেকে আরও সকালে বাস ছাড়ার নির্দেশও ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে। আর এই ঘটনায়  নেটিজেনরা প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন সরকারি আধিকারিকদের।

[আরও পড়ুন: এমনও হয়! করোনা থেকে বাঁচতে বিমানের সব টিকিট একাই কিনে ফেললেন এই ব্যক্তি]

সাই অন্বেষ আমরুত্তাম প্রধান নামে ওড়িশার ওই ছাত্র টুইটারে নিজের সমস্যার কথা জানায়। সে ভুবনেশ্বরের (Bhubaneswar) MBS পাবলিক স্কুলের পড়ুয়া। সরকারি বাসই তার যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম। সম্প্রতি সকালের প্রথম বাস ডিপো থেকে ছাড়ছে ৭টা ৪০ নাগাদ। এদিকে স্কুল শুরু হয় একেবার সাড়ে সাতটায়। ফলে তার স্কুল যেতে সমস্যা হচ্ছে। অন্বেষের এই টুইট দেখে জবাব দেয় Capital Region Urban Transport দপ্তর। তারা জানায়, “সাই, আমরা তোমার সমস্যা বুঝতে পেরেছি। এই বিষয়ে কিছু করা যায় কিনা, সে বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলব।”

এরপরই CRUT’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর তথা আইপিএস অফিসার অরুণ বোথরা টুইট করে জানান, বাসের সময় পরিবর্তন করা হবে। যাতে ওই ছাত্রের স্কুল যেতে কোনও সমস্যা না হয়। তিনি লেখেন, ” প্রিয় সাই, তোমার মতো যাত্রীকে পরিষেবা দিতে পেরে #MoBus খুবই ধন্য। সোমবার থেকেই সকালের প্রথম বাস ছাড়ার সময় বদলে যাবে। এরপর থেকে প্রথম বাস ছাড়বে সকাল সাতটায়। এর ফলে তোমার আর স্কুলের দেরি হবে না। আমাদের পুরো টিমের পক্ষ থেকে তোমাকে অনেক ভালবাসা।”

 

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

[আরও পড়ুন: ভাইরাল হয়েছিল প্যারাগ্লাইডিংয়ের ভিডিও, ‌ফের আকাশে উড়লেন সেই যুবক, এবার কী হল?‌]

তাঁর এই টুইটের পরই মুহূর্তে তা ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজেনরা প্রত্যেকেই আধিকারিকদের প্রশংসায় ভরিয়ে দেন। একজন লেখেন,”দুর্দান্ত সিদ্ধান্ত, যা আমার হৃদয় ছুঁয়ে গেল। এটা প্রমাণ করে যে প্রত্যেকটি মানুষ গুরুত্বপূর্ণ।” আরেকজন লেখেন, “এভাবেই কোনও সমস্যার সমাধান করতে হয়।”

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
Advertisement
Next