Advertisement

করোনা আক্রান্ত মায়ের শেষ নিঃশ্বাস ফেলা পর্যন্ত ঠায় ICU-র জানলার বাইরে বসে রইলেন ছেলে

04:30 PM Jul 21, 2020 |

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাসপাতালের ICU-র বেডে শয্যাশায়ী মা। কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত বৃদ্ধা। কাছে গেলেই ছড়াবে সংক্রমণ। তাই অসুস্থ মায়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়ার উপায় নেই। অগত্যা মাকে দেখতে হাসপাতালের দেওয়াল বেয়ে জানলা পর্যন্ত পৌঁছান ছেলে। আর সেখানেই জানলার বাইরে সরু কার্নিশের উপর ঠায় বসে রইলেন। মায়ের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা পর্যন্ত এক ইঞ্চিও নড়লেন না সেখান থেকে।

Advertisement

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে প্যালেস্তাইনের যুবকের সেই মায়ের প্রতি ভালবাসা আর শ্রদ্ধার ছবি। যা দেখে চোখের কোণ ভিজছে নেটিজেনদের। তাঁর অসম্ভব ধৈর্য আর মনের জোরের প্রশংসাও করছেন অনেকে। সেই ছবিতেই দেখা যাচ্ছে, কোভিড পজিটিভ মাকে একবার চোখের দেখা দেখতে কেমন ছটফট করছেন সেই যুবক। কিন্তু হাসপাতালের ভিতরে ঢোকার অনুমতি মিলছে না। তাই পাইপ আর দেওয়াল বেয়েই হেব্রন হাসপাতালের উপরের তলায় উঠে পড়েন তিনি। এরপর ICU-র কাচের জানলার ধারে গিয়ে কোনওরকমে বসে পড়েন। প্রতিদিন রাতে এটাই ছিল বছর তিরিশের যুবকের রুটিন। রোজ রাতে জানলার বাইরে বসেই মাকে দেখেতেন।

Advertising
Advertising

[আরও পড়ুন: যুবতীর পাশে দাঁড়িয়ে সেলফিতে পোজ ভাল্লুকের, হতবাক নেটিজেনরা]

প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে নোভেল করোনা ভাইরাস (coronacirus)। এই সংক্রমণে যাটোর্ধ্বদের প্রাণের ঝুঁকি আরও বেশি। তাই মা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছিল ছেলের কপালে। ভাল হাসপাতালে রেখে ৭৩ বছরের মাকে সুস্থ করে তোলার সবরকম ব্যবস্থাও করেছিলেন তিনি। কিন্তু মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শেষমেশ হার স্বীকার করেন বৃদ্ধা। তবে মায়ের প্রতি ছেলের এই টানকে কুর্নিশ জানাচ্ছেন নেটদুনিয়ার বাসিন্দারা। অনেকেই লিখছেন, তিনি যেভাবে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মায়ের পাশে ছিলেন, তাতে অনেক আশীর্বাদ পাবেন। মাকে হারানোয় সকলেই সহানুভূতি জানিয়েছেন শোকস্তব্ধ ছেলেকে।

[আরও পড়ুন: ২ বছর টানা স্কুলে পড়ার পর উচ্চমাধ্যমিকে বাজিমাত ৫২ বছরের প্রৌঢ়ার]

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

The post করোনা আক্রান্ত মায়ের শেষ নিঃশ্বাস ফেলা পর্যন্ত ঠায় ICU-র জানলার বাইরে বসে রইলেন ছেলে appeared first on Sangbad Pratidin.

Advertisement
Next