সাইয়ের ২০০ কোটির প্রকল্প আটকে দিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এবার বাংলায় সরকার বদল হতেই শুরু হবে এই বিরাট প্রকল্পের প্রাথমিক কাজ? ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পাওয়ার পরেই সাই কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন ইন্দ্রনীল খাঁ। জানালেন, বাংলার ক্রীড়াক্ষেত্রকে আরও উন্নত করতে দ্রুত কাজ শুরু করবেন তিনি। উল্লেখ্য, সাইয়ের এই প্রকল্পের বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছিলেন বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী অশোক দিন্দা।
রাজ্যে পালাবদলের পর প্রাক্তন পেসার তথা বিজেপি সরকারের মন্ত্রী দিন্দা জানান, “বাংলায় ক্রীড়া প্রকল্প গড়তে চেয়েছিল সাই। অন্তত তার জন্য ২৫ একর জমি চাওয়া হয়েছিল তৃণমূল সরকারের আমলে। কিন্তু সেই জমি দেওয়া হয়নি। তৎকালীন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের সঙ্গে কথা হয় আমার। উনি জানিয়েছিলেন, বাংলায় জমি সংকটের কারণে সাইয়ের প্রকল্প গড়া যাচ্ছে না।” দিন্দা আরও বলেন, ২০২১ সালে তিনি বিধায়ক হওয়ার পরের বছরই জানতে পারেন সাইয়ের আটকে থাকা প্রকল্পের কথা। সেই বিষয়টি নিয়ে বিধানসভায় সরবও হন দিন্দা। কিন্তু তাঁকে সাসপেন্ড করে দেওয়ার হুমকি শুনতে হয়েছে বলে জানান বাংলার প্রাক্তন তারকা।
দিন্দা জানান, ২০২২ সালে প্রস্তাবিত এই প্রকল্পের নথিপত্র বিধানসভায় পেশ করেছেন তিনি। কিন্তু সেই নথিতে ২০০ কোটি বাজেটের উল্লেখ ছিল না বলে জানায় তৃণমূল সরকার। তবে রাজ্যে পালাবদলের পর সাইয়ের প্রকল্প হবে বলে আশা প্রকাশ করেছিলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন পেসার। নতুন সরকার গঠনের পর নিশীথ প্রামাণিকের হাত ঘুরে ইন্দ্রনীল খাঁয়ের কাছে এসেছে ক্রীড়া দপ্তর। দায়িত্ব নিয়েই তিনি সাইয়ের কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সেরেছেন। সঙ্গে জানিয়েছেন, খেলো ইন্ডিয়া স্কিমও বাংলায় চালু করা হবে।
নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ইন্দ্রনীল জানিয়েছেন, 'তৃণমূল সরকার ক্রীড়াক্ষেত্রকে অবহেলা করেছে। এমনকী কেন্দ্রীয় প্রকল্পও বাস্তবায়িত করেনি তারা। তবে এবার নতুন সরকারের আমলে রাজ্যের যুবসমাজ শক্তিশালী হবে।' তবে সাইয়ের প্রকল্প নিয়ে আলাদা করে কিছু জানাননি তিনি। কলকাতা, বর্ধমান বা পূর্ব মেদিনীপুরে তৈরি হতে পারে এই পরিকাঠামো, এমনটাই অনুমান।
