ফিক্সড ইনকাম নিয়ে বলতে গেলে ঝুঁকির তালিকায় মুদ্রাস্ফীতি থাকবে। ইনফ্লেশন রিস্ক বোঝা খুব জরুরি। ভারতের মতো দেশে, আপনি দেখবেন, মুদ্রাস্ফীতি একবারে নিঃশব্দে আসল রিটার্ন কমিয়ে দেয়। মুদ্রাস্ফীতি যদি ৬% হয়, আর বন্ড ইল্ড ৭%, তাহলে ধরে নিতে হবে যে প্রকৃত রিটার্ন কেবল আন্দাজ ১%। স্থির সুদের বন্ডে (ইন্টারেস্ট রেট যেখানে ফিক্সড, মানে ফ্লোটিং নয়) এই ঝুঁকিটা থাকেই। এই জন্য ইনফ্লেশন-ইনডেক্সড বন্ড বিশ্বের নানা জায়গায় চালু আছে।
এখানে মেয়াদ (tenor বা maturity নিয়ে বলছি) এক গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। বন্ড কিনলে আপনার টাকা কতদিনের জন্য আটকে থাকবে? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে হবে।
সাধারণত যা দেখা যায়, তা এই রকম:
সব ধরনের ইনভেস্টরের মূল প্রয়োজন, দরকারের সময় টাকা ফেরত পাওয়া। তবে এও বলা বাহুল্য যে taxation আজ বিনিয়োগকারীদের জন্য এক দরকারি শর্ত। কর-পরবর্তী (post-tax) রিটার্নই আসল।
মনে রাখবেন, আপনার আর্থিক লক্ষ্য অনুযায়ী মেয়াদ বেছে নিতে হবে। উল্লেখ্য, লিকুইডিটি নিয়েও জেনে নেবেন। অর্থাৎ, সহজে কি আপনার বন্ডটা বিক্রি করা যাবে? অনেক সময় দেখি সরকারি বন্ড অথবা বড় কর্পোরেট সংস্থার বন্ড বেশ লিকুইড। তার তুলনায় ছোট সংস্থা, কিছু প্রাইভেট সংস্থার কথা বলা চলে এখানে। বন্ড বিক্রি করা কঠিন হতে পারে।
সব ধরনের ইনভেস্টরের মূল প্রয়োজন, দরকারের সময় টাকা ফেরত পাওয়া। তবে এও বলা বাহুল্য যে taxation আজ বিনিয়োগকারীদের জন্য এক দরকারি শর্ত। কর-পরবর্তী (post-tax) রিটার্নই আসল। বন্ডের ইনকাম দু’ভাবে হয়। আশা করি কেনার সময় সুদের হার, ইল্ড, মেয়াদ, ইস্যুয়ারের সুনাম, বিক্রির শর্ত, রেটিং ইত্যাদি দেখে নিতে পারবেন। প্রয়োজনে পেশাদার উপদেষ্টার সাহায্য নেবেন।
