Advertisement
বহু মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ, সঙ্গে নৃশংসতা! জেলে বসেও পর্ন দেখেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর নাতি
স্রেফ পর্ন দেখার জন্য লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে জেলে মোবাইল ঢুকিয়েছেন ওই প্রাক্তন সাংসদ।
দাদু ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কাকা একাধিকবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি নিজে সাংসদ ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর একাধিক একফ্রেমে ছবি রয়েছে। সেই প্রজ্জ্বল রেভান্না ফের বিতর্কে। ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন, নৃশংসতা, প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা। এমন বহুবিধ অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এবার জেলে বসেও পর্ন দেখায় অভিযুক্ত প্রাক্তন সাংসদ।
বেঙ্গালুরুর জেলে প্রজ্বল রেভান্নার কাছে মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে। জেলে আচমকাই তল্লাশি চালাচ্ছিলেন অপরাধদমন শাখার আধিকারিকেরা। তখন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবগৌড়ার নাতি প্রজ্বলকে ফোন ব্যবহার করতে দেখেন তাঁরা। হাতেনাতে ধরা হয় বলে অভিযোগ। জেলের ভিতরে মোবাইল ঢুকল কী করে? প্রশ্ন উঠতেই পাঁচ জেলকর্মী সাসপেন্ড। জেলের অ্যাসিসট্যান্ট সুপার ইরান্না রাঙ্গাপুরের নামও রয়েছে তালিকায়।
প্রশ্ন উঠছে রেভান্না জেলের মধ্যে ফোনে কী করছিলেন? না কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা বা কোনও দুষ্কৃতীরাজ চালানোর কাজে ফোন ব্যবহার করেননি তিনি। বরং জেলে বসেও তিনি পর্নোগ্রাফিই দেখছিলেন। তাঁর ফোন থেকে একাধিক পর্ন ভিডিও উদ্ধার হয়েছে। জানা গিয়েছে, জেলে তাঁর কাছে মোবাইলের পাশাপাশি চার্জার, পেন ড্রাইভও পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে সেই ব্যবস্থা তিনি করেছিলেন।
গত বছর অগস্টে প্রজ্বলকে ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত করেছিল বেঙ্গালুরুর বিশেষ আদালত। ধর্ষণের অভিযোগ উঠতেই জেল থেকে পালিয়ে যান তিনি। প্রায় ৩ মাস দেশের বাইরে ছিলেন। তাঁর গোটা পরিবারের উপর রাজনৈতিক চাপ তৈরি হচ্ছিল। এমনকী অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছিল বিজেপিকেও। শেষে মে মাসে ইডির হাতে গ্রেপ্তার হন দেবেগৌড়ার নাতি। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।
রেভান্নার একাধিক অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল নেটদুনিয়ায়। অভিযোগ ওঠে, তাঁর বাড়ির পরিচারিকাদের টানা তিন বছর ধরে ধর্ষণ ও যৌন হেনস্তা করেছেন প্রজ্জ্বল। মূল অভিযোগ ছিল বাড়ির পরিচারিকার ধর্ষণের। নির্যাতিতা মহিলার বয়স ৪৮ বছর। অভিযোগ, তাঁকে দীর্ঘ দিন ধরে জোর করে আটকে রেখে একাধিক বার ধর্ষণ করেছেন প্রজ্জ্বল।
শুধু ওই মহিলা নন, আরও একাধিক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে প্রজ্জ্বলের বিরুদ্ধে। কখনও নিজের কর্মীদের, কখনও দলের কর্মীদের ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। পদের বিনিময়েও নাকি যৌনতা দাবি করতেন তিনি। তিনি নাকি মহিলাদের সঙ্গে সঙ্গমের ভিডিও-ও শুট করতেন। তাঁর মোবাইলে অসংখ্য ভিডিও পাওয়া যায়। সে সব ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সোশাল মিডিয়ায়।
Published By: Subhajit MandalPosted: 03:46 PM Sep 12, 2026Updated: 03:46 PM Sep 12, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
