Advertisement
ঘনঘন হারিয়ে ফেলেন মোবাইল-চশমা-ছাতা! ভুলে যাওয়ার প্রবণতা কমাবে এই খাবারগুলি
মেনে চলুন এই নিয়ম।
বাড়ি থেকে বেরনোর সময় মোবাইল নিতে ভুলে যান? কিংবা মাথার উপর চশমা রেখে গোটা ঘর খুঁজতে থাকেন? বর্ষার মরশুমে ছাতা হারানোর ঘটনা তো আখছার শোনা যায়। কিন্তু এই ভুল যদি বারবার ঘটতে থাকে, তাহলে সাধু সাবধান! স্মৃতি আপনার সঙ্গে প্রতারণা করছে না তো? স্মৃতির এই ক্ষয় শুধু বয়স্কদের নয়, তরুণ প্রজন্মকেও আজকাল জাপটে ধরেছে। বেহিসেবি জীবনযাপন, মানসিক উদ্বেগ, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া প্রভৃতি কারণে বার্ধক্যের বহু আগেই স্মৃতির ক্ষয় শুরু হয়ে যায়।
ভুলে যাওয়ার এই প্রবণতাকে আস্কারা দিলেই তৈরি হতে পারে বড় সমস্যা। চিরস্থায়ী প্রবণতা হিসেবে দেখা দিতে পারে অ্যামনেসিয়ার মতো রোগ। তাই, স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটাতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে কিছু খাবার। এই খাবারগুলি নিত্য আপনার পাতে পড়লে কমবে ভোলার প্রবণতা। বাড়বে মনের একাগ্রতাও।
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ মাছ: স্যামন, টুনা, সার্ডিন, ইলিশের মতো চর্বিযুক্ত মাছগুলিতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড (বিশেষ করে EPA এবং DHA) থাকে। এই ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্কের কোষ গঠন এবং কার্যকারিতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
বেরি জাতীয় ফল: ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি, রাস্পবেরি, ব্ল্যাকবেরির মতো ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে। এগুলো মস্তিষ্কের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়। একইসঙ্গে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটায়।
বাদাম ও বীজ: আখরোট, কাজু, পেস্তা, চিনাবাদাম, কুমড়োর বীজ, সূর্যমুখীর বীজ, তিলের বীজ এগুলিতে ভিটামিন ই, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, জিঙ্ক ও অন্যান্য খনিজ পদার্থ থাকে যা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
সবুজ শাক-সবজি: পালং শাক, ব্রোকলি, কেল-এর মতো গাঢ় সবুজ শাক-সবজিতে ভিটামিন কে, লুটেইন, ফোলেট এবং বিটা-ক্যারোটিন থাকে। এই পুষ্টি উপাদানগুলো মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে ও বয়সজনিত স্মৃতিশক্তি হ্রাস রোধ করতে সাহায্য করে।
ডার্ক চকোলেট: এতে ফ্ল্যাভোনয়েড, ক্যাফেইন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বাড়াতে এবং মস্তিষ্ক আরও সচল করতে সাহায্য করে। তবে ডার্ক চকোলেট কমপক্ষে ৭০% কোকো সমৃদ্ধ হওয়া উচিত এবং মিষ্টির পরিমাণ কম থাকা উচিত।
ডিম: ডিম কোলিন এবং ভিটামিন বি-এর ভালো উৎস। কোলিন হল অ্যাসিটাইলকোলিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ভিটামিন বি৬, বি১২ এবং ফোলেট মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ও স্নায়বিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
হলুদ: হলুদে থাকা কারকিউমিন নামক যৌগ যা শক্তিশালী প্রদাহ-বিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণাগুণ সম্পন্ন। এটি মস্তিষ্কের কোষের বৃদ্ধি ও রক্ষণাবেক্ষণে সাহায্য করে।
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 05:22 PM Jul 09, 2025Updated: 05:22 PM Jul 09, 2025
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
