Advertisement
ইয়ামাল-মেসিকেও টক্কর ভোজিনহার! সোশাল মিডিয়ায় ফলোয়ার সংখ্যায় চ্যাম্পিয়ন কারা?
সোশাল মিডিয়ায় যাঁদের ফলোয়ার ছিল হাজারের ঘরে, টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর সেই সংখ্যাটা ছাড়িয়েছে কোটি পর্যন্ত।
কেউ একাহাতে রুখে দিয়েছেন প্রতিপক্ষের যাবতীয় আক্রমণ। কেউ বা দেশের হয়ে লিখেছেন নতুন ইতিহাস। সদ্যসমাপ্ত বিশ্বকাপ ছিল একঝাঁক নতুন তারকার উত্থানের কাহিনি। দেখা যাচ্ছে, সোশাল মিডিয়ায় যাঁদের ফলোয়ার ছিল হাজারের ঘরে, টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর সেই সংখ্যাটা ছাড়িয়েছে কোটি পর্যন্ত। নতুন তারকা পেয়েছে ফুটবলবিশ্ব। আবার ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর মতো কিংবদন্তিদের ফলোয়ারও বেড়েছে। একনজরে রইল ফলোয়ার বৃদ্ধির নিরিখে 'চ্যাম্পিয়ন'দের তালিকা।
সেই তালিকায় সবার উপরে রয়েছে আর্লিং হালান্ডের নাম। মার্কিন মুলুকে রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছেন এই 'গোলদস্যু'। বিশ্বকাপে প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল নরওয়ে। সেটা অনেকখানি কৃতিত্ব এই ম্যাঞ্চেস্টার সিটি তারকার। বিশ্বকাপে মোট ৭টি গোল করেছেন হালান্ড। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে তাঁর ফলোয়ার ছিল ৪ কোটি ৬ লক্ষ। আপাতত সেই সংখ্যাটা ৮ কোটি ছুঁইছুঁই। অর্থাৎ বিশ্বকাপ চলাকালীন তিন কোটিরও বেশি ফলোয়ার বেড়েছে হালান্ডের।
বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি হইচই ফেলে দিয়েছে কেপ ভার্দে। আফ্রিকার ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্রটি প্রথমবার বিশ্বকাপে নেমেই জায়গা করে নিয়েছিল নকআউটে। তারকা হয়ে ওঠেন ভোজিনহা। ৪০ বছর বয়সি এই গোলকিপার স্পেনের একগুচ্ছ শট আটকে দেন। তারপর থেকেই হু হু করে বাড়তে থাকে তাঁর ফলোয়ার সংখ্যা। এক রাতে ৫০ হাজার থেকে ৫০ লাখে পৌঁছে যায়। আপাতত প্রায় তিন কোটি ফলোয়ার রয়েছে তাঁর।
ইংল্যান্ডের জার্সিতে বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস লিখেছেন জুড বেলিংহ্যাম। প্রথম ইংরেজ ফুটবলার হিসাবে এক বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোল করেছেন এই তারকা মিডফিল্ডার। তাঁর পা থেকে এসেছে সাতটি গোল। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গোল করেছেন। ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল ওঠার নেপথ্যেও বেলিংহ্যামের অবদান অপরিসীম। বিশ্বকাপের শুরুতে তাঁর ফলোয়ার সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ১৩ লক্ষ। বর্তমানে সংখ্যাটা ৫ কোটি ৩৩ লক্ষ। অর্থাৎ প্রায় দেড় কোটি ফলোয়ার বেড়েছে তাঁর।
ফলোয়ার বৃদ্ধির নিরিখে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো রয়েছেন চতুর্থ স্থানে। ইনস্টাগ্রামে ৬৬ কোটি ৫৬ লক্ষ ফলোয়ার ছিল তাঁর। সদ্যসমাপ্ত বিশ্বকাপে তিনি এক অনবদ্য নজির গড়েছেন। একমাত্র ফুটবলার হিসাবে টানা ৬ বিশ্বকাপে গোল করেছেন। যদিও প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নেয় পর্তুগাল। কিন্তু রোনাল্ডোর ফলোয়ার সংখ্যা বেড়েছে হু হু করে। ১ কোটি ১৪ লক্ষ বেড়ে আপাতত তাঁর ফলোয়ার সংখ্যা ৬৭ কোটি ৭০ লক্ষ।
বিশ্বকাপজয়ী স্প্যানিশ ব্রিগেডের তারকা লামিনে ইয়ামাল। বিশ্বকাপে মাত্র একটিই গোল এসেছে তাঁর পা থেকে, তবুও ১৯ বছরের এই তরুণ তুর্কিকে আগামী দিনের সুপারস্টার বলে মনে করছে ফুটবলদুনিয়া। গোল না পেলেও ফুটবলবোদ্ধাদের মন জয় করেছেন ইয়ামাল। বিশ্বকাপের শুরুতে ৪ কোটি ৩৩ লক্ষ ফলোয়ার ছিল তাঁর। স্পেন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ১ কোটি ফলোয়ার বেড়েছে। ইনস্টাগ্রামে ৫ কোটি ৪৩ লক্ষ ফলোয়ার রয়েছে তাঁর।
ফলোয়ার বৃদ্ধির নিরিখে ষষ্ঠ স্থানে নেইমার। তিন বছর পর ব্রাজিলের জাতীয় দলে ডাক পেয়েছিলেন। কিন্তু টুর্নামেন্টের অধিকাংশ সময়টাই মাঠের বাইরে কাটাতে হয়েছে। ব্রাজিলও ছিটকে যায় নরওয়ের কাছে হেরে। বিশ্বকাপ স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার পরই অবসর ঘোষণা করেন নেইমার। তবে সোশাল মিডিয়ায় তাঁর জনপ্রিয়তা এখনও অটুট। টুর্নামেন্টের শুরুতে ২৩ কোটি ৪৩ লক্ষ ফলোয়ার ছিল। প্রায় ৭৭ লক্ষ ফলোয়ার বেড়েছে তাঁর।
টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি ছিল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার সামনে। ফাইনালের আগে পর্যন্তও মেসি ছিলেন সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে। বিশ্বকাপ শুরুর আগে তাঁর ৫০ কোটি ৬৫ লক্ষ ফলোয়ার ছিল। টুর্নামেন্ট শেষে ৭৫ লক্ষ ফলোয়ার বেড়েছে তাঁর। মেক্সিকোর গিলবার্তো মোরা, ফ্রান্সের মাইকেল ওলিসে, ব্রাজিলের এনড্রিক-ফলোয়ার সংখ্যা বৃদ্ধির নিরিখে এঁরাও রয়েছেন প্রথম দশে।
Published By: Anwesha AdhikaryPosted: 09:47 PM Jul 22, 2026Updated: 09:47 PM Jul 22, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
