Advertisement
বাইশ গজে মুছলেন মন ভাঙার যন্ত্রণা! আরসিবি'কে খেতাব জিতিয়ে আসল 'ক্যুইন' স্মৃতিই
মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগ ফাইনালে গুচ্ছ রেকর্ড গড়ে জেতালেন ক্রিকেটের প্রতি প্রেমকেই।
জীবন কীভাবে বদলে যায় তাই না? সব ঠিক থাকলে গত বছরই বিয়ে হয়ে যেত স্মৃতি মন্ধানার। না, সেটা হয়নি। অত্যন্ত হৃদয় বিদারক ভাবে শেষ হয়েছে সেই অধ্যায়। স্মৃতির ভাঙা মনের যন্ত্রণা মুছছে ক্রিকেটেই। আরসিবি'কে ফের মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগ জিতিয়ে আসল 'ক্যুইন' স্মৃতিই।
ক্রিকেটই অস্ত্র, ক্রিকেটই সম্বল। ক্রিকেট যেন মনখারাপের ওষুধ। পলাশ মুছলের সঙ্গে একেবারে শেষ মুহূর্তে বিয়ে ভেঙেছে। যার জন্য দায়ী করা হচ্ছে পলাশের লাম্পট্যকে। স্মৃতি মন্ধানার উপর দিয়ে কী ঝড় বয়ে গিয়েছে, তা হয়তো শুধু তিনিই জানেন। কিন্তু ‘শো মাস্ট গো অন’।
WPL ফাইনালে সেটা ফের প্রমাণ করলেন। আরসিবিকে চ্যাম্পিয়ন করে গুচ্ছ রেকর্ডও গড়লেন তিনি। এবারের মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগে তিনি ৩৭৭ রান করে অরেঞ্জ ক্যাপ বিজয়ী। এছাড়া সব মিলিয়ে WPL-এ ১০০০ রানও হয়ে গেল তাঁর। ২৩ বলে হাফসেঞ্চুরি এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি।
ফাইনালে প্রতিপক্ষ ছিল বন্ধু জেমাইমা রডরিগেজের দল দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রথমে ব্যাট করে বড় লক্ষ্যও দেয় তারা। কিন্তু স্মৃতি যে মেজাজে ব্যাট করছিলেন এই খেলার অন্য ফল সত্যিই কল্পনা করা যাচ্ছিল না।
ব্যাট হাতে নেমেই স্মৃতির মসৃণ স্ট্রেট ড্রাইভ বাউন্ডারিতে আছড়ে পড়ল। কে বল করছে, কোথায় বল করছে সেসব যেন তাঁর মাথাতেই ছিল না। হেলাফেলার ভঙ্গিতে লেংথ বলকে দেখে দেখে যেভাবে সীমানা পার করাচ্ছিলেন, মনে হচ্ছিল কোনও কিছুই আজ তাঁকে থামাতে পারবে, এটা বিশ্বাসই করেন না।
তখন কি স্মৃতির মনে পড়ছিল আড়াই মাস আগের স্মৃতি? এরকমই এক বাইশ গজে তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন পলাশ মুছল। সেটা অবশ্য নবি মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে। WPL ফাইনালের বরোদায় নয়। মনে করা হচ্ছিল, ৬ বছরের প্রেম কাহিনি অবশেষে মধুর পরিণতি পাবে।
তার সব আয়োজনও হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে হৃদয়ভঙ্গ। আসলে বিভীষিকা বললেও ভুল বলা হয় না। বিয়ের আগের নানা অনুষ্ঠানও হয়ে যায়। কিন্তু বিয়ের দিন সকালেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন স্মৃতির বাবা শ্রীনিবাস মন্ধানা। হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় তাঁকে।
পরে প্রকাশ্যে আসে বিয়ের আগের রাতে পলাশকে অন্য এক মহিলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা যায়। বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্মৃতির এক বন্ধুও বলেছিলেন, "সে এক ভয়ানক দৃশ্য! তারপর ভারতের মহিলা দলের ক্রিকেটাররা পলাশকে বেধড়ক মারে।"
এখানেই শেষ নয়। ফাঁস হয়েছে অন্য এক মহিলার সঙ্গে পলাশের ঘনিষ্ঠ চ্যাটও। নেটিজেনদের বক্তব্য, সম্ভবত সেই কারণেই পলাশের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙেছেন স্মৃতি। আর স্মৃতির বাবা যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন সেটা কি পলাশকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখার 'শক' থেকেই?
Published By: Arpan DasPosted: 02:05 PM Feb 06, 2026Updated: 02:05 PM Feb 06, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
