Advertisement
যিশুর মৃত্যুর সঙ্গে জড়িয়ে ভারতও! ডিএনএ নিয়ে নতুন গবেষণা প্রকাশ্যে আসতেই তুঙ্গে চর্চা
অকথ্য অত্যাচারের পর ক্রুশে গেঁথে দেওয়া। যিশু খ্রিস্টের এই ছবির সঙ্গে পরিচিত গোটা বিশ্ব।
অকথ্য অত্যাচারের পর ক্রুশে গেঁথে দেওয়া। যিশু খ্রিস্টের এই ছবির সঙ্গে পরিচিত গোটা বিশ্ব। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই যিশুর এই ছবি দেখেছেন। কিন্তু এই যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যুর পর কী হল? সেই প্রশ্নের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে ভারতের নাম।
দু'হাজার বছরেরও বেশি সময় আগে রোম সাম্রাজ্যের অধীনে যিশুর মৃত্যু হয়। বাইবেল বলছে, গুড ফ্রাইডে'তে তাঁর মৃতদেহ ক্রুশ থেকে নামিয়ে আনেন যিশুর শিষ্যরা। দেহটি কবর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তারপর মসীনার কাপড়ে জড়িয়ে দেহটি কবরে রাখা হয়।
এই মসীনা অর্থাৎ লিনেনের কাপড় পরবর্তীকালে রাখা হয় ইটালিতে, এমনটাই সূত্রের খবর। শ্রাউড অফ তুরিনে রাখা কাপড়টি দেখতে যুগে যুগে বহু খ্রিষ্ট ভক্ত ভিড় জমান। ধর্মীয় ক্ষেত্রে কাপড়টির অসীম গুরুত্ব রয়েছে বলে মনে করা হয়।
বিশেষজ্ঞরাও গভীর আগ্রহের সঙ্গে এই কাপড় পরীক্ষানিরীক্ষা করেছেন যুগে যুগে। পরীক্ষা করেই অনেকে মনে করেন, ভারতের সঙ্গে যিশুর যোগসূত্র রয়েছে। সেই রিপোর্টের পর অনেকের প্রশ্ন, তবে কি যিশু ভারতে এসেছিলেন?
ইটালির তুরিন শহরে 'ক্যাথিড্রাল অব সেন্ট জন দ্য ব্যাপ্টিস্ট'-এ রাখা আছে ৪.৩৬ মিটার লম্বা সেই কাপড়। তাতে ফিকে হয়ে আসা যিশুর দেহ-মুখের অবয়ব আজও দেখতে পাওয়া যায়। কালের নিয়মে পুরনো হতে থাকা সিপিয়া রঙ ধরা কাপড়ে রক্তের রংও ফিকে হয়েছে।
কাপড়টি আদৌ যিশুর সঙ্গে সম্পর্কিত কিনা, সেই রহস্য উদ্ধার করতেই বারবার পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রযুক্তির যত উন্নতি হয়েছে, ততই বিশদে এবং সূক্ষ্মভাবে কাপড়টির বিচার করা হয়েছে। নতুন তথ্য উঠে এসেছে বারবার।
বাইবেল অনুযায়ী, রোমান ম্যাজিস্ট্রেট যিশুকে ক্রুশ থেকে নামিয়ে আনার অনুমতি দেন জোসেফ অব অ্যারিমাথিয়াকে। তাঁর কেনা কবরেই কাপড়ে জড়িয়ে রাখা হয় যিশুর দেহ। কিন্তু পরবর্তী প্রায় ৫০০ বছর কাপড়টির হদিশ মেলেনি।
খ্রিষ্টধর্মের ইতিহাস নিয়ে যাঁরা চর্চা করেন, তাঁদের মতে মধ্যযুগে ফ্রান্সে ফেবর সেই কাপড়টি মেলে। সেখান থেকে কাপড়টি ইটালিতে এনে রাখা হয়। ধর্মবিশ্বাসীদের কাছে এটি অত্যন্ত পবিত্র। সমালোচকদের মতে, এই কাপড়টি নিয়ে মধ্যযুগে মিথ্যা প্রচার চলেছে।
নানা তত্ত্ব-মতবাদের মধ্যেই বারবার পরীক্ষা হয়েছে ৫ মিটার লম্বা কাপড় নিয়ে। তবে প্রথমদিকে সেই কাপড়ের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগসূত্র মেলেনি। কিন্তু দিনকয়েক আগে নতুন এক গবেষণাপত্র প্রকাশ হতেই হইচই পড়ে গিয়েছে ধর্ম বিশ্লেষকদের মতে।
Published By: Anwesha AdhikaryPosted: 08:22 PM Apr 09, 2026Updated: 08:22 PM Apr 09, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
